কক্সবাজারের ইনানীতে অবস্থিত টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দশ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের সবাই পর্যটক বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। তবে মরদেহের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুনে রিসোর্টটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের স্টেশন অফিসার তালহা বিন জসিম জানান, বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর সকাল ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। ঘটনার পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সবাই পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে রিসোর্টের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় রিসোর্টের কক্ষগুলোতে আটকে পড়েন অনেক পর্যটক। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার পর রিসোর্টের আশপাশের এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছে। নিহতদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, ঘটনার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের পলায়নের বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং উদ্ধার কাজ শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। রিসোর্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কিনা সে বিষয়টিও তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের ইনানীতে অবস্থিত টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দশ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের সবাই পর্যটক বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। তবে মরদেহের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুনে রিসোর্টটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের স্টেশন অফিসার তালহা বিন জসিম জানান, বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর সকাল ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। ঘটনার পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সবাই পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে রিসোর্টের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় রিসোর্টের কক্ষগুলোতে আটকে পড়েন অনেক পর্যটক। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার পর রিসোর্টের আশপাশের এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছে। নিহতদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, ঘটনার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের পলায়নের বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং উদ্ধার কাজ শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। রিসোর্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কিনা সে বিষয়টিও তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন