হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকালে এক চিকিৎসককে মারধরের চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি। এ সময় তাঁর উত্তেজিত আচরণ ও হামলার চেষ্টায় হাসপাতালজুড়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দেয়। তবে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে রক্ষা পান চিকিৎসক। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের ১০১ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত চিকিৎসক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মুস্তাফিজুর রহমান।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসকের কক্ষে প্রবেশ করে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে চিকিৎসকের টেবিলে থাপ্পড় মারেন এবং তাঁকে মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে যান। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সেখানে দায়িত্ব পালনরত আনসার প্লাটুন কমান্ডার (এপিসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আনসার সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁদের সাহসিকতা ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে ওই ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়।আটক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০) সোনারগাঁ উপজেলার ষোলপাড়া গ্রামের মোসলেম বেপারীর ছেলে।ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আটক ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে একজন চিকিৎসককে যদি হামলার মুখে পড়তে হয়, তাহলে সাধারণ রোগী ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।পরি-কন্ঠ/ মুয়াজ