নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত ‘রামচন্দ্রী খাল’ পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই উন্নয়নমূলক কাজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম আজাদ। দীর্ঘদিনের পলি ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়া এই খালটি তার নাব্য হারিয়েছিল, যার ফলে স্থানীয় কৃষিকাজে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। মূলত এই সংকট দূর করে অত্র অঞ্চলের কৃষিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই এই পুনঃখনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যায়।
প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : খাল খনন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত ‘রামচন্দ্রী খাল’ পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই উন্নয়নমূলক কাজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম আজাদ। দীর্ঘদিনের পলি ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়া এই খালটি তার নাব্য হারিয়েছিল, যার ফলে স্থানীয় কৃষিকাজে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। মূলত এই সংকট দূর করে অত্র অঞ্চলের কৃষিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই এই পুনঃখনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যায়।
প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন