ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে একবারের জন্যও জনসমক্ষে দেখা যায়নি, যা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তৈরি করেছে গভীর রহস্য। সম্প্রতি ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ ও বিস্তারিত তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। ওই একই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিমান হামলায় মোজতবার মুখমণ্ডল এবং পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে কেউ কেউ দাবি করছেন যে, তিনি একটি পা হারিয়েছেন এবং তার চেহারার বিকৃতি ঘটেছে।
তবে গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও মোজতবা খামেনি মানসিকভাবে পুরোপুরি সজাগ রয়েছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেই অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা এবং যুদ্ধের কৌশলগত সিদ্ধান্তে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত ৮ মার্চ সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকে তার কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না করায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া না হলেও, দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাকে ‘যুদ্ধে আহত হওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। খামেনির ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, শারীরিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে মোজতবা খামেনির ফেরা ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এক বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে একবারের জন্যও জনসমক্ষে দেখা যায়নি, যা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তৈরি করেছে গভীর রহস্য। সম্প্রতি ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ ও বিস্তারিত তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। ওই একই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিমান হামলায় মোজতবার মুখমণ্ডল এবং পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে কেউ কেউ দাবি করছেন যে, তিনি একটি পা হারিয়েছেন এবং তার চেহারার বিকৃতি ঘটেছে।
তবে গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও মোজতবা খামেনি মানসিকভাবে পুরোপুরি সজাগ রয়েছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেই অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা এবং যুদ্ধের কৌশলগত সিদ্ধান্তে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত ৮ মার্চ সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকে তার কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না করায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া না হলেও, দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাকে ‘যুদ্ধে আহত হওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। খামেনির ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, শারীরিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে মোজতবা খামেনির ফেরা ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এক বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন