সারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের মতো নারায়ণগঞ্জেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক চিহ্নিত ৫০ জন চাঁদাবাজের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হলেও, তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। তালিকা থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ফতুল্লা এলাকায় ক্ষমতাসীন দল বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে জুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলি ছোঁড়ার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তীব্র হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, নারায়ণগঞ্জ আবারও সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভয়ারণ্যে পরিণত হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে গতকাল বৃহস্পতিবা (৯ এপ্রিল) রাতে রগণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম সুজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন “সেই ৫০ জন চাঁদাবাজের তালিকা কোথায় গেলো? তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?”
তার এই প্রশ্ন জনমনে সাড়া ফেলেছে এবং বিষয়টি এখন মানুষের মাঝো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে দ্রুত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, চিহ্নিত চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
সারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের মতো নারায়ণগঞ্জেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক চিহ্নিত ৫০ জন চাঁদাবাজের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হলেও, তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। তালিকা থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ফতুল্লা এলাকায় ক্ষমতাসীন দল বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে জুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলি ছোঁড়ার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তীব্র হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, নারায়ণগঞ্জ আবারও সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভয়ারণ্যে পরিণত হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে গতকাল বৃহস্পতিবা (৯ এপ্রিল) রাতে রগণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম সুজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন “সেই ৫০ জন চাঁদাবাজের তালিকা কোথায় গেলো? তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?”
তার এই প্রশ্ন জনমনে সাড়া ফেলেছে এবং বিষয়টি এখন মানুষের মাঝো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে দ্রুত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, চিহ্নিত চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন