নব্বই দশকের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পর্দা কাঁপানো গুণী অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত দীর্ঘ সময় পর নিজের ক্যারিয়ারের এক গোপন সত্য প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তাঁর কাছে এসেছিল বলিউডে কাজের বড় সুযোগ। তবে সেই রঙিন হাতছানি তিনি সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
বিপাশা হায়াত স্মৃতিচারণ করে জানান, এক সময় জনপ্রিয় সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’-এ অভিনয়ের প্রস্তাবের পাশাপাশি একই সময়ে বলিউড থেকেও একটি পার্শ্ব চরিত্রের জন্য তাঁকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কেবলমাত্র বলিউডের তকমা গায়ে লাগানোর জন্য নিজের অবস্থান এবং দর্শকদের আস্থার সঙ্গে আপস করতে চাননি তিনি। তাঁর মতে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে চরিত্রের গভীরতা এবং নিজস্ব মূল্যবোধ তাঁর কাছে সবচেয়ে অগ্রগণ্য ছিল।
নিজেকে কেবল একজন ‘তারকা’ হিসেবে নয়, বরং একজন ‘পাবলিক ফিগার’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই শিল্পী। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পীর সমাজের প্রতি এবং দর্শকদের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থাকে। বলিউডে নাম লেখানোর চেয়ে দেশের মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা তিনি অর্জন করেছেন, তাকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বলে মনে করেন তিনি।
আলাপকালে তিনি আরও বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে অধিকাংশ সংঘাত ও বিদ্বেষের মূল কারণ হলো ভালোবাসার অভাব। তাই মানুষের ভালোবাসাকে তুচ্ছ করে কোনো সাময়িক খ্যাতির পেছনে ছোটা তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ। জীবনের এই পরিণত সময়ে এসেও নিজের সেই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি গর্বিত।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নব্বই দশকের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পর্দা কাঁপানো গুণী অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত দীর্ঘ সময় পর নিজের ক্যারিয়ারের এক গোপন সত্য প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তাঁর কাছে এসেছিল বলিউডে কাজের বড় সুযোগ। তবে সেই রঙিন হাতছানি তিনি সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
বিপাশা হায়াত স্মৃতিচারণ করে জানান, এক সময় জনপ্রিয় সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’-এ অভিনয়ের প্রস্তাবের পাশাপাশি একই সময়ে বলিউড থেকেও একটি পার্শ্ব চরিত্রের জন্য তাঁকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কেবলমাত্র বলিউডের তকমা গায়ে লাগানোর জন্য নিজের অবস্থান এবং দর্শকদের আস্থার সঙ্গে আপস করতে চাননি তিনি। তাঁর মতে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে চরিত্রের গভীরতা এবং নিজস্ব মূল্যবোধ তাঁর কাছে সবচেয়ে অগ্রগণ্য ছিল।
নিজেকে কেবল একজন ‘তারকা’ হিসেবে নয়, বরং একজন ‘পাবলিক ফিগার’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই শিল্পী। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পীর সমাজের প্রতি এবং দর্শকদের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থাকে। বলিউডে নাম লেখানোর চেয়ে দেশের মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা তিনি অর্জন করেছেন, তাকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বলে মনে করেন তিনি।
আলাপকালে তিনি আরও বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে অধিকাংশ সংঘাত ও বিদ্বেষের মূল কারণ হলো ভালোবাসার অভাব। তাই মানুষের ভালোবাসাকে তুচ্ছ করে কোনো সাময়িক খ্যাতির পেছনে ছোটা তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ। জীবনের এই পরিণত সময়ে এসেও নিজের সেই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি গর্বিত।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন