নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ফতুল্লা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্টে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিচালিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও খুনাখুনির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, এসব অপরাধ দমনে প্রশাসনের দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বারবার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগকারীদের থানায় ডেকে আপোষ-মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং গুরুতর মামলার আসামিদের প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আশপাশেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
সংসদ সদস্য সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জনমনে ক্ষোভ বাড়বে এবং এর প্রভাব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচকভাবে পড়তে পারে।
তিনি প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলীয় পরিচয়ে অপরাধীদের প্রশ্রয় না দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি দলের নেতৃবৃন্দের প্রতিও আহ্বান জানান, দলের নাম ব্যবহার করে যেন কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
ফতুল্লাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ফতুল্লা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্টে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিচালিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও খুনাখুনির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, এসব অপরাধ দমনে প্রশাসনের দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বারবার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগকারীদের থানায় ডেকে আপোষ-মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং গুরুতর মামলার আসামিদের প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আশপাশেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
সংসদ সদস্য সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জনমনে ক্ষোভ বাড়বে এবং এর প্রভাব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচকভাবে পড়তে পারে।
তিনি প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলীয় পরিচয়ে অপরাধীদের প্রশ্রয় না দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি দলের নেতৃবৃন্দের প্রতিও আহ্বান জানান, দলের নাম ব্যবহার করে যেন কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
ফতুল্লাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন