পরিবেশ কণ্ঠ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদের বিচার ঘিরে দেশজুড়ে আবেগ ও উত্তেজনা; সর্বোচ্চ শাস্তির আশায় প্রসিকিউশন

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় আজ: প্রতীক্ষার অবসান কি হতে যাচ্ছে?



আবু সাঈদ হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় আজ: প্রতীক্ষার অবসান কি হতে যাচ্ছে?
সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই অমর স্মৃতি, অকুতোভয় বীর আবু সাঈদের রক্তভেজা শার্টের ঘ্রাণ আজও যেন বাংলার আকাশে-বাতাসে মিশে আছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সেই অদম্য তরুণ, যিনি পুলিশের বুলেটের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে দেশপ্রেমের এক নতুন মহাকাব্য লিখেছিলেন, তাঁর সেই আলোচিত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় প্রদান করবেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় গত ২৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর থেকে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল। আজ ৩০ জন আসামির ভাগ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ৬ জন কারাগারে থাকলেও বাকি ২৪ জন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। কারাগারে থাকা উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এএসআই আমির হোসেন ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়ে আদালতে তাদের দাবি উত্থাপন করেছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তাঁরা সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তিই তাঁদের কাম্য। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের মক্কেলদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে খালাস প্রার্থনা করেছেন। ১৬ জুলাই ২০২৪-এর সেই রক্তঝরা বিকেলে আবু সাঈদের বুক চিরে যাওয়া বুলেটের বিচার পেতে আজ রাজপথ থেকে সাধারণ মানুষের ঘর পর্যন্ত প্রতিটি কোণে এখন কেবলই অপেক্ষার প্রহর।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : আবু সাঈদ হত্যা মামলা

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


আবু সাঈদ হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় আজ: প্রতীক্ষার অবসান কি হতে যাচ্ছে?

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই অমর স্মৃতি, অকুতোভয় বীর আবু সাঈদের রক্তভেজা শার্টের ঘ্রাণ আজও যেন বাংলার আকাশে-বাতাসে মিশে আছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সেই অদম্য তরুণ, যিনি পুলিশের বুলেটের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে দেশপ্রেমের এক নতুন মহাকাব্য লিখেছিলেন, তাঁর সেই আলোচিত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় প্রদান করবেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় গত ২৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর থেকে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল। আজ ৩০ জন আসামির ভাগ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ৬ জন কারাগারে থাকলেও বাকি ২৪ জন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। কারাগারে থাকা উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এএসআই আমির হোসেন ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়ে আদালতে তাদের দাবি উত্থাপন করেছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তাঁরা সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তিই তাঁদের কাম্য। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের মক্কেলদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে খালাস প্রার্থনা করেছেন। ১৬ জুলাই ২০২৪-এর সেই রক্তঝরা বিকেলে আবু সাঈদের বুক চিরে যাওয়া বুলেটের বিচার পেতে আজ রাজপথ থেকে সাধারণ মানুষের ঘর পর্যন্ত প্রতিটি কোণে এখন কেবলই অপেক্ষার প্রহর।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ