যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। ইরানের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত কোনো অবস্থাতেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না বলে একটি নির্দেশনা জারি করেছেন তিনি। ইরানের নির্ভরযোগ্য দুটি সরকারি সূত্রের বরাতে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া অন্যতম প্রধান শর্তটি বড় ধরনের ধাক্কা খেল, যা যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের একটি আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অবশ্যই ইরানের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং যেকোনো শান্তি চুক্তিতে শর্তটি বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তাঁর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, তেহরান কর্তৃক প্রক্সি মিলিশিয়াদের অর্থায়ন ও অস্ত্র জোগানো এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা করবেন না।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অভিযোগ করছে। তারা একে পরমাণু অস্ত্র তৈরির (যার জন্য ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণ প্রয়োজন) গোপন চেষ্টাও বলে দাবি করে আসছে। তবে ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের পরমাণু কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক বলে দাবি করে আসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘সর্বোচ্চ নেতার স্পষ্ট নির্দেশনা ও ইরানের সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার দাবি—সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।’
উল্লেখ্য, ইরানের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নেতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। অর্থাৎ ইউরেনিয়াম নিয়ে সর্বোচ্চ নেতার এই সিদ্ধান্তই এ বিষয়ে ইরানের সর্বশেষ অবস্থান।
ইরানের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তাদের প্রধান কৌশলগত শক্তি। এটি দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিলে ইরান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার মুখে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি এমন একটি চুক্তি করবেন যেখানে মার্কিন জনগণের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সেখানে একটি ভঙ্গুর ও সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু এখনো কোনো বড় ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি বা ব্রেকথ্রু আসেনি। একদিকে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে, অন্যদিকে ইরানও বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের লাইফলাইন হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কড়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরানের ভেতরে এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে গভীর সংশয় ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন নতুন করে বিমান হামলা শুরু করার আগে ইরানকে একটি কৃত্রিম নিরাপত্তা বা স্বস্তির অনুভূতি দিতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ‘কৌশলগত প্রতারণা’র আশ্রয় নিয়েছে।
ইরানের দাবি, তাদের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার হলো এই যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোট আর কোনো হামলা চালাবে না আন্তর্জাতিকভাবে তার একটি নির্ভরযোগ্য গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা পাওয়া। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসবে।
তবে ইউরেনিয়াম জটিলতা নিরসনে ইরানের একটি সূত্র রয়টার্সকে আশার বাণী শুনিয়ে বলেছে, ইউরেনিয়াম বাইরে না পাঠিয়েও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে এই মজুতকে ‘লঘু’ করে বেসামরিক কাজের উপযোগী করার মতো কিছু ফর্মুলা ইরানের হাতে রয়েছে।
আইএইএ-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে প্রথম আঘাত হানে, তখন ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল। তবে সেই হামলার পর ঠিক কতটুকু ইউরেনিয়াম টিকে আছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। গত মার্চ মাসে আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছিলেন, ইরানের অবশিষ্ট ইউরেনিয়ামের সিংহভাগ (প্রায় ২০০ কেজির বেশি) ইসফাহানের একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ টানেলে এবং বাকি অংশ নাতানজ পরমাণু কেন্দ্রে সংরক্ষিত রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, এই উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ তাদের চিকিৎসা খাত এবং তেহরানের একটি গবেষণা চুল্লি সচল রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। ইরানের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত কোনো অবস্থাতেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না বলে একটি নির্দেশনা জারি করেছেন তিনি। ইরানের নির্ভরযোগ্য দুটি সরকারি সূত্রের বরাতে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া অন্যতম প্রধান শর্তটি বড় ধরনের ধাক্কা খেল, যা যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের একটি আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অবশ্যই ইরানের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং যেকোনো শান্তি চুক্তিতে শর্তটি বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তাঁর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, তেহরান কর্তৃক প্রক্সি মিলিশিয়াদের অর্থায়ন ও অস্ত্র জোগানো এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা করবেন না।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অভিযোগ করছে। তারা একে পরমাণু অস্ত্র তৈরির (যার জন্য ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণ প্রয়োজন) গোপন চেষ্টাও বলে দাবি করে আসছে। তবে ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের পরমাণু কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক বলে দাবি করে আসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘সর্বোচ্চ নেতার স্পষ্ট নির্দেশনা ও ইরানের সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার দাবি—সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।’
উল্লেখ্য, ইরানের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নেতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। অর্থাৎ ইউরেনিয়াম নিয়ে সর্বোচ্চ নেতার এই সিদ্ধান্তই এ বিষয়ে ইরানের সর্বশেষ অবস্থান।
ইরানের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তাদের প্রধান কৌশলগত শক্তি। এটি দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিলে ইরান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার মুখে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি এমন একটি চুক্তি করবেন যেখানে মার্কিন জনগণের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সেখানে একটি ভঙ্গুর ও সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু এখনো কোনো বড় ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি বা ব্রেকথ্রু আসেনি। একদিকে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে, অন্যদিকে ইরানও বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের লাইফলাইন হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কড়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরানের ভেতরে এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে গভীর সংশয় ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন নতুন করে বিমান হামলা শুরু করার আগে ইরানকে একটি কৃত্রিম নিরাপত্তা বা স্বস্তির অনুভূতি দিতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ‘কৌশলগত প্রতারণা’র আশ্রয় নিয়েছে।
ইরানের দাবি, তাদের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার হলো এই যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোট আর কোনো হামলা চালাবে না আন্তর্জাতিকভাবে তার একটি নির্ভরযোগ্য গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা পাওয়া। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসবে।
তবে ইউরেনিয়াম জটিলতা নিরসনে ইরানের একটি সূত্র রয়টার্সকে আশার বাণী শুনিয়ে বলেছে, ইউরেনিয়াম বাইরে না পাঠিয়েও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে এই মজুতকে ‘লঘু’ করে বেসামরিক কাজের উপযোগী করার মতো কিছু ফর্মুলা ইরানের হাতে রয়েছে।
আইএইএ-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে প্রথম আঘাত হানে, তখন ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল। তবে সেই হামলার পর ঠিক কতটুকু ইউরেনিয়াম টিকে আছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। গত মার্চ মাসে আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছিলেন, ইরানের অবশিষ্ট ইউরেনিয়ামের সিংহভাগ (প্রায় ২০০ কেজির বেশি) ইসফাহানের একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ টানেলে এবং বাকি অংশ নাতানজ পরমাণু কেন্দ্রে সংরক্ষিত রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, এই উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ তাদের চিকিৎসা খাত এবং তেহরানের একটি গবেষণা চুল্লি সচল রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন