দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই ভাইরাসের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ৮ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে এই করুণ মৃত্যুগুলো ঘটে।
অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে মোট ১৩৮ জন শিশু। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। কেবল মৃত্যুর পরিসংখ্যানই নয়, সংক্রমণের চিত্রটিও বেশ উদ্বেগজনক। গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮৯ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশে মোট আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৯৯ জনে। এছাড়া সন্দেহভাজন হাম নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৫৭৭ জনে। তবে সংকটের মাঝেও কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে সুস্থতার হার। এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণ রোধে সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ অপরিহার্য।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : হামজা চৌধুরী টিকা

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই ভাইরাসের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ৮ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে এই করুণ মৃত্যুগুলো ঘটে।
অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে মোট ১৩৮ জন শিশু। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। কেবল মৃত্যুর পরিসংখ্যানই নয়, সংক্রমণের চিত্রটিও বেশ উদ্বেগজনক। গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮৯ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশে মোট আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৯৯ জনে। এছাড়া সন্দেহভাজন হাম নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৫৭৭ জনে। তবে সংকটের মাঝেও কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে সুস্থতার হার। এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণ রোধে সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ অপরিহার্য।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন