জাতীয় সংসদে দেশের শীর্ষ ২০টি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানই বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মালিকানাধীন একাধিক বড় প্রতিষ্ঠানের নামও এই তালিকায় উঠে এসেছে।
এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, শীর্ষ ১০টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলমের। তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, সোনালী ট্রেডার্স, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইস্পাত, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ। এছাড়া ১৭ নম্বরে থাকা মুরাদ এন্টারপ্রাইজও এই একই গ্রুপের মালিকানাধীন।
তালিকায় এস আলমের একচ্ছত্র আধিপত্যের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি ৬ নম্বরে এবং বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস ১৯ নম্বরে অবস্থান করছে। সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ ও জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সিএলসি পাওয়ার কোম্পানিও খেলাপিদের শীর্ষ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম (সিটি সেল) রয়েছে তালিকার ১৫ নম্বরে। এছাড়া কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, কর্ণফুলী ফুডস এবং রংধনু বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের নামও এই শীর্ষ ২০-এর তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংসদে শীর্ষ খেলাপিদের নাম প্রকাশ করা হলেও তাদের ঋণের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এই অধিবেশনে জানানো হয়নি। খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও সংসদকে আশ্বস্ত করেন অর্থমন্ত্রী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে দেশের শীর্ষ ২০টি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানই বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মালিকানাধীন একাধিক বড় প্রতিষ্ঠানের নামও এই তালিকায় উঠে এসেছে।
এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, শীর্ষ ১০টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলমের। তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, সোনালী ট্রেডার্স, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইস্পাত, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ। এছাড়া ১৭ নম্বরে থাকা মুরাদ এন্টারপ্রাইজও এই একই গ্রুপের মালিকানাধীন।
তালিকায় এস আলমের একচ্ছত্র আধিপত্যের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি ৬ নম্বরে এবং বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস ১৯ নম্বরে অবস্থান করছে। সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ ও জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সিএলসি পাওয়ার কোম্পানিও খেলাপিদের শীর্ষ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম (সিটি সেল) রয়েছে তালিকার ১৫ নম্বরে। এছাড়া কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, কর্ণফুলী ফুডস এবং রংধনু বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের নামও এই শীর্ষ ২০-এর তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংসদে শীর্ষ খেলাপিদের নাম প্রকাশ করা হলেও তাদের ঋণের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এই অধিবেশনে জানানো হয়নি। খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও সংসদকে আশ্বস্ত করেন অর্থমন্ত্রী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন