পরিবেশ কণ্ঠ

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ ডলার ও ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা



বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ ডলার ও ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা
সংগৃহীত

দেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তিনি এই চিত্র তুলে ধরেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও সংসদকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শ করানো। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন এবং সৃজনশীল ও ক্রীড়া অর্থনীতির মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, সরকার কেবল একটি খাতের ওপর নির্ভর না করে উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় ত্বরান্বিত করা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মাথাপিছু আয়ের এই অবস্থান দেশের উদীয়মান অর্থনীতির সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ ডলার ও ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তিনি এই চিত্র তুলে ধরেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও সংসদকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শ করানো। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন এবং সৃজনশীল ও ক্রীড়া অর্থনীতির মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, সরকার কেবল একটি খাতের ওপর নির্ভর না করে উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় ত্বরান্বিত করা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মাথাপিছু আয়ের এই অবস্থান দেশের উদীয়মান অর্থনীতির সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ।


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ