বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারকে সহযোগিতা করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। ঢাকাসহ সারা দেশের সকল দোকানপাট, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের প্রচেষ্টায় শামিল হতে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দেশের সকল দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এবং জরুরি প্রয়োজনে হোটেল, ফার্মেসি, কাঁচাবাজার এবং জরুরি প্রয়োজনীয় সেবামূলক দোকানগুলো এই সময়সীমার আওতাভুক্ত থাকবে না। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান তাদের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারকে সহযোগিতা করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। ঢাকাসহ সারা দেশের সকল দোকানপাট, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের প্রচেষ্টায় শামিল হতে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দেশের সকল দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এবং জরুরি প্রয়োজনে হোটেল, ফার্মেসি, কাঁচাবাজার এবং জরুরি প্রয়োজনীয় সেবামূলক দোকানগুলো এই সময়সীমার আওতাভুক্ত থাকবে না। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান তাদের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন