অস্ট্রেলিয়া সরকার ভিসা বাতিল করেছে এমন খবরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারি। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) প্রকাশিত ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, আজহারির ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
পরে এ বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করে বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন আজহারি। এতে তিনি লিখেন, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির আমন্ত্রণে গত ৫ দিন ধরে আমি অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছি। আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা।
ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্যকে দায়ী করা সম্পূর্ণ অসত্য—কারণ এখনও পর্যন্ত আমি অস্ট্রেলিয়াতে কোনও বক্তব্যই দিইনি। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজেই যাচাইযোগ্য।
বিভিন্ন দেশে বক্তাদের সফর ঘিরে চাপ বা প্রভাব থাকা অস্বাভাবিক নয়; আমার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে। কিছু নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল ও নাস্তিক্যবাদী পক্ষ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে— পুরোনো, বিচ্ছিন্ন বক্তব্যকে প্রেক্ষাপটহীনভাবে তুলে এনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছে। একই ভিডিওর সূত্র ধরে কয়েক বছর আগে যেমন যুক্তরাজ্যেও বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
অথচ আমি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী। আমার বহু আলোচনাতেও যা স্পষ্ট প্রতীয়মান।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
অস্ট্রেলিয়া সরকার ভিসা বাতিল করেছে এমন খবরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারি। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) প্রকাশিত ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, আজহারির ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
পরে এ বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করে বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন আজহারি। এতে তিনি লিখেন, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির আমন্ত্রণে গত ৫ দিন ধরে আমি অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছি। আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা।
ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্যকে দায়ী করা সম্পূর্ণ অসত্য—কারণ এখনও পর্যন্ত আমি অস্ট্রেলিয়াতে কোনও বক্তব্যই দিইনি। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজেই যাচাইযোগ্য।
বিভিন্ন দেশে বক্তাদের সফর ঘিরে চাপ বা প্রভাব থাকা অস্বাভাবিক নয়; আমার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে। কিছু নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল ও নাস্তিক্যবাদী পক্ষ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে— পুরোনো, বিচ্ছিন্ন বক্তব্যকে প্রেক্ষাপটহীনভাবে তুলে এনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছে। একই ভিডিওর সূত্র ধরে কয়েক বছর আগে যেমন যুক্তরাজ্যেও বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
অথচ আমি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী। আমার বহু আলোচনাতেও যা স্পষ্ট প্রতীয়মান।

আপনার মতামত লিখুন