সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, বৈধ মালিকানা না থাকলেও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আব্দুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে জোর করে ধান কেটে নিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা মৌজায়। ভুক্তভোগী কৃষক সকিম প্রামাণিক ও ফটিক প্রামাণিক জানান, এসএ ১৪৭৩ দাগের ৩০ শতাংশ, ১১৭৯ দাগের ১৬ শতাংশ এবং ১১৭২ দাগের ৩২ শতাংশসহ মোট ৭৮ শতাংশ জমি তাদের মা শুকুরন নেছা ১৯৭৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই ছেলের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। সেই থেকে তারা জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন।
তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি কায়েমপুর ইউনিয়নের বাড়াবিল গ্রামের আব্দুল আজিজ ওই জমির মালিকানা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে শাহজাদপুর আইনজীবী সমিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও যুক্তিতর্ক শেষে তারা প্রকৃত মালিক হিসেবে প্রমাণিত হন বলে দাবি করেন দুই ভাই। সকিম প্রামাণিক বলেন, ‘সালিশে আমরা জমির বৈধ মালিক প্রমাণিত হওয়ার পরও আব্দুল আজিজ তা মানেননি। মঙ্গলবার সকালে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে জোর করে জমির সব ধান কেটে নিয়ে গেছে।’
ফটিক প্রামাণিক অভিযোগ করে বলেন, ‘সুলতান, শাহ আলম, মমিন, সাগর, জোমেরসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী ধান কাটার সময় আমাদের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয়। আমরা বাধা দিতে পারিনি।’ এ ঘটনায় তারা শাহজাদপুর আমলি আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। তবে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘জমিটি আমার। আমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। নিজের জমির ধান নিজেই কেটে নিয়েছি।’ এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিষয় : ধান

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, বৈধ মালিকানা না থাকলেও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আব্দুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে জোর করে ধান কেটে নিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা মৌজায়। ভুক্তভোগী কৃষক সকিম প্রামাণিক ও ফটিক প্রামাণিক জানান, এসএ ১৪৭৩ দাগের ৩০ শতাংশ, ১১৭৯ দাগের ১৬ শতাংশ এবং ১১৭২ দাগের ৩২ শতাংশসহ মোট ৭৮ শতাংশ জমি তাদের মা শুকুরন নেছা ১৯৭৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই ছেলের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। সেই থেকে তারা জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন।
তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি কায়েমপুর ইউনিয়নের বাড়াবিল গ্রামের আব্দুল আজিজ ওই জমির মালিকানা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে শাহজাদপুর আইনজীবী সমিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও যুক্তিতর্ক শেষে তারা প্রকৃত মালিক হিসেবে প্রমাণিত হন বলে দাবি করেন দুই ভাই। সকিম প্রামাণিক বলেন, ‘সালিশে আমরা জমির বৈধ মালিক প্রমাণিত হওয়ার পরও আব্দুল আজিজ তা মানেননি। মঙ্গলবার সকালে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে জোর করে জমির সব ধান কেটে নিয়ে গেছে।’
ফটিক প্রামাণিক অভিযোগ করে বলেন, ‘সুলতান, শাহ আলম, মমিন, সাগর, জোমেরসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী ধান কাটার সময় আমাদের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয়। আমরা বাধা দিতে পারিনি।’ এ ঘটনায় তারা শাহজাদপুর আমলি আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। তবে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘জমিটি আমার। আমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। নিজের জমির ধান নিজেই কেটে নিয়েছি।’ এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন