জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে ‘জুলাই সনদ আদেশ’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৫টা ৪০ মিনিটে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিকার চেয়েছিলাম। সংবিধান সংস্কার পরিষদ কোনো একক দলের বিষয় নয়; এটি জাতীয় ঐকমত্যের বিষয় ছিল। নির্বাচনের আগে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই এ বিষয়ে একমত হয়েছিল।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জনগণের প্রত্যাশা ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। “আমরা যে প্রতিকার চেয়েছিলাম, তা না পাওয়ায় দেশের মানুষের মতামতের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। বিরোধী দলে থেকে এই অবমূল্যায়ন আমরা মেনে নিতে পারি না। তাই আমরা প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করছি,”—বলেন তিনি।
ওয়াকআউটের পর সংসদ কক্ষে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতেই অধিবেশনের কার্যক্রম চলতে থাকে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করতে পারে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ:
গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো মতপার্থক্যের মধ্যেও সংলাপ চালিয়ে যাওয়া। সংসদে ওয়াকআউট একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা হলেও, জাতীয় স্বার্থে সব পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে ‘জুলাই সনদ আদেশ’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৫টা ৪০ মিনিটে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিকার চেয়েছিলাম। সংবিধান সংস্কার পরিষদ কোনো একক দলের বিষয় নয়; এটি জাতীয় ঐকমত্যের বিষয় ছিল। নির্বাচনের আগে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই এ বিষয়ে একমত হয়েছিল।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জনগণের প্রত্যাশা ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। “আমরা যে প্রতিকার চেয়েছিলাম, তা না পাওয়ায় দেশের মানুষের মতামতের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। বিরোধী দলে থেকে এই অবমূল্যায়ন আমরা মেনে নিতে পারি না। তাই আমরা প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করছি,”—বলেন তিনি।
ওয়াকআউটের পর সংসদ কক্ষে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতেই অধিবেশনের কার্যক্রম চলতে থাকে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করতে পারে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ:
গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো মতপার্থক্যের মধ্যেও সংলাপ চালিয়ে যাওয়া। সংসদে ওয়াকআউট একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা হলেও, জাতীয় স্বার্থে সব পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন