সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে জাতীয় সংসদে তুমুল বিতর্ক, হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করলে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে কয়েক দফা বাকবিতণ্ডা হয়।
সংসদের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বিরোধীদলীয় নেতা প্রস্তাবটি উত্থাপন করে তাৎক্ষণিক আলোচনার দাবি জানান। তবে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণের কথা উল্লেখ করে নির্ধারিত সূচি শেষ করার পক্ষে মত দেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিরোধী সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে দাঁড়িয়ে যান। ফলে সংসদকক্ষে হট্টগোল শুরু হয়।
পরে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান প্রস্তাবটিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি আলোচনার দাবি রাখে, তবে প্রস্তুতির জন্য কিছু সময় প্রয়োজন।
উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অধিবেশনের সভাপতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ঘোষণা দেন, বিধি অনুযায়ী ৩১ মার্চ মুলতবি প্রস্তাবটি নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ঘোষণার পরও সংসদে কিছু সময় হট্টগোল অব্যাহত থাকে। পরে পরবর্তী কার্যসূচিতে অধিবেশন পরিচালিত হয়।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আগে থেকেই মতবিরোধ রয়েছে। গণভোটের প্রেক্ষাপটে এ পরিষদ গঠনের কথা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ:
গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে হট্টগোল নয়, গঠনমূলক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজে নেওয়া জরুরি—এটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
বিষয় : রাজনীতি সংবিধান_সংস্কার সংসদ

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে জাতীয় সংসদে তুমুল বিতর্ক, হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করলে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে কয়েক দফা বাকবিতণ্ডা হয়।
সংসদের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বিরোধীদলীয় নেতা প্রস্তাবটি উত্থাপন করে তাৎক্ষণিক আলোচনার দাবি জানান। তবে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণের কথা উল্লেখ করে নির্ধারিত সূচি শেষ করার পক্ষে মত দেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিরোধী সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে দাঁড়িয়ে যান। ফলে সংসদকক্ষে হট্টগোল শুরু হয়।
পরে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান প্রস্তাবটিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি আলোচনার দাবি রাখে, তবে প্রস্তুতির জন্য কিছু সময় প্রয়োজন।
উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অধিবেশনের সভাপতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ঘোষণা দেন, বিধি অনুযায়ী ৩১ মার্চ মুলতবি প্রস্তাবটি নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ঘোষণার পরও সংসদে কিছু সময় হট্টগোল অব্যাহত থাকে। পরে পরবর্তী কার্যসূচিতে অধিবেশন পরিচালিত হয়।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আগে থেকেই মতবিরোধ রয়েছে। গণভোটের প্রেক্ষাপটে এ পরিষদ গঠনের কথা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ:
গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে হট্টগোল নয়, গঠনমূলক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজে নেওয়া জরুরি—এটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।

আপনার মতামত লিখুন