নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা আবাসিক এলাকার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে বাবার পর সাত বছরের শিশুকন্যা কথাও মারা গেছে।
বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটির শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলেও জানান এই চিকিৎসক।
এর আগে ১১ মে সকালে শিশুটির বাবা মো. কালাম (৩৫) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশুসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন। আরও পড়ুনআরও পড়ুনহানি ট্র্যাপের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি
এ বিস্ফোরণে দগ্ধ কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং আরেক মেয়ে মুন্নি (১০) শরীরের যথাক্রমে ৬০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ ও ৩৫ শতাংশ পোড়া নিয়ে এখনো ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গিরিধারার ওই বাড়িটিতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা মো. কালাম। তাদের ঘরে তিতাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমা হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।
বিষয় : নারায়ণগঞ্জ আগুন নিহত

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা আবাসিক এলাকার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে বাবার পর সাত বছরের শিশুকন্যা কথাও মারা গেছে।
বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটির শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলেও জানান এই চিকিৎসক।
এর আগে ১১ মে সকালে শিশুটির বাবা মো. কালাম (৩৫) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশুসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন। আরও পড়ুনআরও পড়ুনহানি ট্র্যাপের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি
এ বিস্ফোরণে দগ্ধ কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং আরেক মেয়ে মুন্নি (১০) শরীরের যথাক্রমে ৬০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ ও ৩৫ শতাংশ পোড়া নিয়ে এখনো ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গিরিধারার ওই বাড়িটিতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা মো. কালাম। তাদের ঘরে তিতাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমা হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।

আপনার মতামত লিখুন