আইনে নিষিদ্ধ থাকলেও সারা দেশে অবাধে চলছে পলিথিন উৎপাদন ও বিপণন। রাজধানীর চকবাজার এলাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অন্তত ৬ শতাধিক কারখানা, যেখান থেকে উৎপাদিত পলিথিন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ খাতে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার পলিথিন বেচাকেনা হচ্ছে। এসব পলিথিন উৎপাদন ও পরিবহনের জন্য একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। রাতের আঁধারে বিভিন্ন ট্রাক ও কনটেইনারে করে কাঁচপুর, টঙ্গী, আমিনবাজার ও পোস্তগোলা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।
সরকার ২০০২ সালে ২০ মাইক্রনের নিচে পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও বাস্তবে সেই আইন কার্যকর হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই অবৈধ ব্যবসা বিস্তৃত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পলিথিন নদ-নদী, কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ডেকে আনে।
কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার কারণে তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবুও জীবিকার তাগিদে তারা এই কাজে যুক্ত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পলিথিন বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে বাস্তবতায় এখনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
আইনে নিষিদ্ধ থাকলেও সারা দেশে অবাধে চলছে পলিথিন উৎপাদন ও বিপণন। রাজধানীর চকবাজার এলাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অন্তত ৬ শতাধিক কারখানা, যেখান থেকে উৎপাদিত পলিথিন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ খাতে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার পলিথিন বেচাকেনা হচ্ছে। এসব পলিথিন উৎপাদন ও পরিবহনের জন্য একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। রাতের আঁধারে বিভিন্ন ট্রাক ও কনটেইনারে করে কাঁচপুর, টঙ্গী, আমিনবাজার ও পোস্তগোলা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।
সরকার ২০০২ সালে ২০ মাইক্রনের নিচে পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও বাস্তবে সেই আইন কার্যকর হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই অবৈধ ব্যবসা বিস্তৃত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পলিথিন নদ-নদী, কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ডেকে আনে।
কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার কারণে তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবুও জীবিকার তাগিদে তারা এই কাজে যুক্ত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পলিথিন বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে বাস্তবতায় এখনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন