ইরান যুদ্ধ ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump (ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর পরামর্শ প্রথম দিয়েছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth (পিট হেগসেথ)। ফলে যুদ্ধের দায়ভার হেগসেথের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন কি না—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে ‘সেফ টাস্ক ফোর্স’-এর এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, তিনি পিট হেগসেথ ও জেনারেল কেইনসহ সংশ্লিষ্টদের ডেকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর ভাষ্য, “ইরান ৪৭ বছর ধরে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি। আমরা চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দিতে পারতাম, অথবা ছোট একটি অভিযানের মাধ্যমে বড় সমস্যার সমাধান করতে পারতাম।”
হেগসেথের দিকে তাকিয়ে ট্রাম্প বলেন, “পিট, আমার মনে হয় আপনিই প্রথম বলেছিলেন—চলুন শুরু করি। কারণ তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আসতে দেওয়া যাবে না।” যদিও একই বৈঠকে তিনি হেগসেথের প্রশংসাও করেন।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf (মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu (বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু) ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে পিট হেগসেথ বলেন, অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই। তবে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানাননি তিনি।
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যেই অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
তথ্যসূত্র: দ্য হিল
Tag/Topic: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিট হেগসেথ, ইরান যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র রাজনীতি, মধ্যপ্রাচ্য সংকট

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump (ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর পরামর্শ প্রথম দিয়েছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth (পিট হেগসেথ)। ফলে যুদ্ধের দায়ভার হেগসেথের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন কি না—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে ‘সেফ টাস্ক ফোর্স’-এর এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, তিনি পিট হেগসেথ ও জেনারেল কেইনসহ সংশ্লিষ্টদের ডেকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর ভাষ্য, “ইরান ৪৭ বছর ধরে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি। আমরা চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দিতে পারতাম, অথবা ছোট একটি অভিযানের মাধ্যমে বড় সমস্যার সমাধান করতে পারতাম।”
হেগসেথের দিকে তাকিয়ে ট্রাম্প বলেন, “পিট, আমার মনে হয় আপনিই প্রথম বলেছিলেন—চলুন শুরু করি। কারণ তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আসতে দেওয়া যাবে না।” যদিও একই বৈঠকে তিনি হেগসেথের প্রশংসাও করেন।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf (মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu (বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু) ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে পিট হেগসেথ বলেন, অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই। তবে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানাননি তিনি।
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যেই অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
তথ্যসূত্র: দ্য হিল
Tag/Topic: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিট হেগসেথ, ইরান যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র রাজনীতি, মধ্যপ্রাচ্য সংকট

আপনার মতামত লিখুন