রাওয়ালপিন্ডিতে ২০২৪ সালে আগুনে বোলিংয়ে নজর কেড়েছিলেন নাহিদ রানা। এবার রানা মিরপুরে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে তেমন একটা সফল হতে পারেননি। পাকিস্তানের ব্যাটাররা তাঁকে বেশ হোমওয়ার্ক করেই এসেছিলেন। কিন্তু রানা জ্বলে উঠলেন মোক্ষম সময়েই। তাঁর হাতেই হলো পাকিস্তানের ইনিংসের সমাপ্তি।
সব রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছিল শেষ দিনের জন্যই। ড্র, বাংলাদেশের জয়, পাকিস্তানের জয়—তিন ধরনের ঘটনাই ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণকেই পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ।
মিরপুরে তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে বৃষ্টি বাগড়া দিলেও আজ পঞ্চম দিনে খেলা হয়েছে রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায়। গতকাল চতুর্থ দিনে ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানকে যথাসম্ভব বেশি সময় ব্যাটিংয়ে পাঠালে বাংলাদেশ জিতবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। শিষ্যরা আজ তা-ই করলেন। দ্রুত ইনিংস ঘোষণার পর বোলিংয়ে পাকিস্তানকে রীতিমতো নাজেহাল করে ছেড়েছে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন পুরোদস্তুর ‘লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। ১৮৮ রানের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও যথেষ্ট চটপটে দেখা গেছে শান্তকে। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানের আয়েশি জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
হাতে ৭ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। চা পানের বিরতির আগে তুলনামূলক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও শেষ বিকেলে ড্রয়ের লক্ষ্যেই খেলতে থাকে সফরকারীরা। তবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে পাকিস্তানের জন্য। ৪৪ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে
দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রানে আজ পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। শেষ দিনে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৮ রান যোগ করার পর ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকেরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৫০ বলের ইনিংসে ৭ চার মেরেছেন তিনি। ১৩ রান করলে রেকর্ড গড়া এক সেঞ্চুরিই করতে পারতেন তিনি। কিন্তু নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।
পাকিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার নোমান ৩ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ১০১ উইকেট। হাসান আলী ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ডিপ স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেছেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাস ২ ও ১ উইকেট পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ২৪০ রান করলে লিডটা দাঁড়ায় ২৬৭ রানের। ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাসকিন আহমেদের গুড লেংথের বল ডিফেন্স করতে গিয়ে ইমাম উল হক (২) ক্যাচ তুলে দেন উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে।
দ্রুত প্রথম উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন দুই অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইস। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৭ বলে ৫৪ রানের জুটি। এই জুটির ৪.৮৪ রানরেটে ব্যাটিং কিছুটা বাংলাদেশকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল। তবে ১৩তম ওভারের প্রথম বলে মিরাজকে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান আওয়াইস। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি (১০৩) করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রাওয়ালপিন্ডিতে ২০২৪ সালে আগুনে বোলিংয়ে নজর কেড়েছিলেন নাহিদ রানা। এবার রানা মিরপুরে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে তেমন একটা সফল হতে পারেননি। পাকিস্তানের ব্যাটাররা তাঁকে বেশ হোমওয়ার্ক করেই এসেছিলেন। কিন্তু রানা জ্বলে উঠলেন মোক্ষম সময়েই। তাঁর হাতেই হলো পাকিস্তানের ইনিংসের সমাপ্তি।
সব রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছিল শেষ দিনের জন্যই। ড্র, বাংলাদেশের জয়, পাকিস্তানের জয়—তিন ধরনের ঘটনাই ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণকেই পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ।
মিরপুরে তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে বৃষ্টি বাগড়া দিলেও আজ পঞ্চম দিনে খেলা হয়েছে রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায়। গতকাল চতুর্থ দিনে ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানকে যথাসম্ভব বেশি সময় ব্যাটিংয়ে পাঠালে বাংলাদেশ জিতবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। শিষ্যরা আজ তা-ই করলেন। দ্রুত ইনিংস ঘোষণার পর বোলিংয়ে পাকিস্তানকে রীতিমতো নাজেহাল করে ছেড়েছে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন পুরোদস্তুর ‘লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। ১৮৮ রানের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও যথেষ্ট চটপটে দেখা গেছে শান্তকে। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানের আয়েশি জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
হাতে ৭ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। চা পানের বিরতির আগে তুলনামূলক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও শেষ বিকেলে ড্রয়ের লক্ষ্যেই খেলতে থাকে সফরকারীরা। তবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে পাকিস্তানের জন্য। ৪৪ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে
দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রানে আজ পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। শেষ দিনে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৮ রান যোগ করার পর ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকেরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৫০ বলের ইনিংসে ৭ চার মেরেছেন তিনি। ১৩ রান করলে রেকর্ড গড়া এক সেঞ্চুরিই করতে পারতেন তিনি। কিন্তু নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।
পাকিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার নোমান ৩ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ১০১ উইকেট। হাসান আলী ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ডিপ স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেছেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাস ২ ও ১ উইকেট পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ২৪০ রান করলে লিডটা দাঁড়ায় ২৬৭ রানের। ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাসকিন আহমেদের গুড লেংথের বল ডিফেন্স করতে গিয়ে ইমাম উল হক (২) ক্যাচ তুলে দেন উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে।
দ্রুত প্রথম উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন দুই অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইস। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৭ বলে ৫৪ রানের জুটি। এই জুটির ৪.৮৪ রানরেটে ব্যাটিং কিছুটা বাংলাদেশকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল। তবে ১৩তম ওভারের প্রথম বলে মিরাজকে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান আওয়াইস। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি (১০৩) করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে

আপনার মতামত লিখুন