পরিবেশ কন্ঠ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় দালালচক্র নিয়ে উদ্বেগে কর্মীরা


প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় দালালচক্র নিয়ে উদ্বেগে কর্মীরা
সংগৃহীত

দীর্ঘ বন্ধের পর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই মালয়েশিয়ার বাজারে পুনরায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খুলে গেল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গত সোমবার মালয়েশিয়ার একটি সুপারমার্কেট চেইনের চাহিদা অনুযায়ী ২৮ জন বাংলাদেশি কর্মীর নিয়োগপত্র বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক সত্যায়নের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে। সরকারি কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই নীরবে এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানামুখী কৌতুহল ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

শ্রমবাজারটি ফের চালু করতে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ও কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান ছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর ও সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে আলোচনার পরই কর্মী নিয়োগের পথ সুগম হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া বা শর্তাবলি প্রকাশ করা হয়নি, যা অভিবাসন প্রত্যাশীদের মাঝে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

বর্তমানে কিছু অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালালচক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্বের ন্যায় এবারও অভিবাসন ব্যয় অতিরিক্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো খরচের তালিকা বা প্রক্রিয়া ঘোষণা না করায় প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ছে। কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় অভিবাসন খাতকে দ্রুত স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এবারের শ্রমবাজারের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করছে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার ওপর। অতীতের অনিয়ম ও হয়রানি রোধ করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মীদের কম খরচে ও নিরাপদে অভিবাসন নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে। দালালমুক্ত নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার অচিরেই বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় দালালচক্র নিয়ে উদ্বেগে কর্মীরা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ বন্ধের পর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই মালয়েশিয়ার বাজারে পুনরায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খুলে গেল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গত সোমবার মালয়েশিয়ার একটি সুপারমার্কেট চেইনের চাহিদা অনুযায়ী ২৮ জন বাংলাদেশি কর্মীর নিয়োগপত্র বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক সত্যায়নের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে। সরকারি কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই নীরবে এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানামুখী কৌতুহল ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

শ্রমবাজারটি ফের চালু করতে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ও কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান ছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর ও সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে আলোচনার পরই কর্মী নিয়োগের পথ সুগম হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া বা শর্তাবলি প্রকাশ করা হয়নি, যা অভিবাসন প্রত্যাশীদের মাঝে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

বর্তমানে কিছু অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালালচক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্বের ন্যায় এবারও অভিবাসন ব্যয় অতিরিক্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো খরচের তালিকা বা প্রক্রিয়া ঘোষণা না করায় প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ছে। কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় অভিবাসন খাতকে দ্রুত স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এবারের শ্রমবাজারের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করছে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার ওপর। অতীতের অনিয়ম ও হয়রানি রোধ করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মীদের কম খরচে ও নিরাপদে অভিবাসন নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে। দালালমুক্ত নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার অচিরেই বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ