নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা জহির ফকিরকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় তিন নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত এজাহারনামীয় তিন নম্বর আসামি কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী বিচ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। যৌথ অভিযানে এসআরবি-১১ ও এসআরবি-১৫ ইউনিটের সদস্যরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির অবস্থান শনাক্তে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর রাতে সোনারগাঁয়ের চর হোগলা এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বোনের বাড়িতে ফেরার পথে জহির ফকিরের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ধারালো চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জহির ফকির কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করছে প্রশাসন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত কবির হোসেনের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল এবং ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করছিল।
বর্তমানে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনার জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা জহির ফকিরকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় তিন নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত এজাহারনামীয় তিন নম্বর আসামি কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী বিচ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। যৌথ অভিযানে এসআরবি-১১ ও এসআরবি-১৫ ইউনিটের সদস্যরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির অবস্থান শনাক্তে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর রাতে সোনারগাঁয়ের চর হোগলা এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বোনের বাড়িতে ফেরার পথে জহির ফকিরের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ধারালো চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জহির ফকির কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করছে প্রশাসন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত কবির হোসেনের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল এবং ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করছিল।
বর্তমানে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনার জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন