পরিবেশ কন্ঠ

রামেক হাসপাতালে প্রথমবার হাঁটু প্রতিস্থাপন


প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

রামেক হাসপাতালে প্রথমবার হাঁটু প্রতিস্থাপন
সংগৃহীত

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রথমবারের মতো হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। সোমবার হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স সার্জারি বিভাগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬০ বছর বয়সী বিবিজান নামে এক রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুতে কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, বিবিজান দীর্ঘদিন ধরে অস্টিওআর্থ্রাইটিসে ভুগছিলেন। এতে তার হাঁটুর ক্ষয় গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছায়। একপর্যায়ে হাঁটু শক্ত হয়ে যাওয়া, বাঁকা হয়ে যাওয়া এবং তীব্র ব্যথার কারণে স্বাভাবিক চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুর পরিবর্তে কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন আধুনিক চিকিৎসার একটি কার্যকর পদ্ধতি।

রামেক হাসপাতালে প্রথমবারের মতো এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন অর্থোপেডিক্স সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আলমগীর হোসেন, ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, ডা. সফিকুল ইসলাম, ডা. সাইদ আহমেদ, ডা. মাতিউল ইসলাম, ডা. সালেহীনসহ আরও কয়েকজন চিকিৎসক।

অধ্যাপক ডা. আলমগীর হোসেন জানান, কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপনের ফলে রোগীর হাঁটুর কার্যক্ষমতা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তিনি চলাফেরাসহ দৈনন্দিন কাজ করতে পারবেন। তবে অস্ত্রোপচারের পর তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

তিনি আরও জানান, এখন থেকে সরকারি হাসপাতালে এ ধরনের অস্ত্রোপচার নিয়মিতভাবে চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে উত্তরবঙ্গের মানুষ উপকৃত হবেন। হাঁটু প্রতিস্থাপনের জন্য তাদের ঢাকায় বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে।

ডা. মনোয়ার তারিক সাবু জানান, ঢাকায় নিয়মিত কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে রাজশাহীতে রামেক হাসপাতালে এটাই প্রথম। এখন থেকে হাসপাতালে নিয়মিত এ ধরনের অস্ত্রোপচার করা হবে।

বিষয় : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রামেক হাসপাতালে প্রথমবার হাঁটু প্রতিস্থাপন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রথমবারের মতো হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। সোমবার হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স সার্জারি বিভাগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬০ বছর বয়সী বিবিজান নামে এক রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুতে কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, বিবিজান দীর্ঘদিন ধরে অস্টিওআর্থ্রাইটিসে ভুগছিলেন। এতে তার হাঁটুর ক্ষয় গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছায়। একপর্যায়ে হাঁটু শক্ত হয়ে যাওয়া, বাঁকা হয়ে যাওয়া এবং তীব্র ব্যথার কারণে স্বাভাবিক চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুর পরিবর্তে কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন আধুনিক চিকিৎসার একটি কার্যকর পদ্ধতি।

রামেক হাসপাতালে প্রথমবারের মতো এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন অর্থোপেডিক্স সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আলমগীর হোসেন, ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, ডা. সফিকুল ইসলাম, ডা. সাইদ আহমেদ, ডা. মাতিউল ইসলাম, ডা. সালেহীনসহ আরও কয়েকজন চিকিৎসক।

অধ্যাপক ডা. আলমগীর হোসেন জানান, কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপনের ফলে রোগীর হাঁটুর কার্যক্ষমতা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তিনি চলাফেরাসহ দৈনন্দিন কাজ করতে পারবেন। তবে অস্ত্রোপচারের পর তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

তিনি আরও জানান, এখন থেকে সরকারি হাসপাতালে এ ধরনের অস্ত্রোপচার নিয়মিতভাবে চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে উত্তরবঙ্গের মানুষ উপকৃত হবেন। হাঁটু প্রতিস্থাপনের জন্য তাদের ঢাকায় বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে।

ডা. মনোয়ার তারিক সাবু জানান, ঢাকায় নিয়মিত কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে রাজশাহীতে রামেক হাসপাতালে এটাই প্রথম। এখন থেকে হাসপাতালে নিয়মিত এ ধরনের অস্ত্রোপচার করা হবে।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ