মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের পুনর্জন্ম! বক্স অফিসে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়লেন টম হল্যান্ড।
মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স বা এমসিইউ-র জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলো খুব একটা সুখকর ছিল না। একের পর এক বিগ বাজেটের চলচ্চিত্র বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় স্টুডিওর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মধ্যে শুরু হয়েছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে সব সংশয় আর আশঙ্কাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।
মুক্তির প্রথম তিন দিনেই বিশ্বজুড়ে আয়ের এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে স্পাইডার-ম্যানের এই নতুন কিস্তি। দ্য গার্ডিয়ানের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৯২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে হলিউড ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড এখন টম হল্যান্ড অভিনীত এই সিনেমাটির দখলে। তালিকার শীর্ষস্থানটি এখনও দখল করে আছে ২০১৯ সালের ব্লকব্লাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’, যার প্রারম্ভিক আয় ছিল প্রায় ১২২ কোটি ডলার।
মজার ব্যাপার হলো, মাত্র ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার নির্মাণ ব্যয়ের এই ছবিটি মাত্র তিন দিনেই তার লগ্নি তুলে নিয়ে বিপুল মুনাফার মুখ দেখেছে। উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এর আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি সমানভাবে সমাদৃত হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে চীন। দেশটির প্রেক্ষাগৃহগুলো থেকে উদ্বোধনী সপ্তাহেই এসেছে ১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সাজানো এই সিনেমায় পিটার পার্কারের চরিত্রে টম হল্যান্ডের অভিনয়কে অনেক সমালোচকই তার ক্যারিয়ারের সেরা কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মার্ভেল স্টুডিওসের সভাপতি কেভিন ফাইগি দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই সাফল্যকে ‘অসাধারণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করছে যে স্পাইডার-ম্যানের জনপ্রিয়তা এখনও আকাশচুম্বী। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খুব শীঘ্রই সিনেমাটি এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের পুনর্জন্ম! বক্স অফিসে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়লেন টম হল্যান্ড।
মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স বা এমসিইউ-র জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলো খুব একটা সুখকর ছিল না। একের পর এক বিগ বাজেটের চলচ্চিত্র বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় স্টুডিওর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মধ্যে শুরু হয়েছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে সব সংশয় আর আশঙ্কাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।
মুক্তির প্রথম তিন দিনেই বিশ্বজুড়ে আয়ের এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে স্পাইডার-ম্যানের এই নতুন কিস্তি। দ্য গার্ডিয়ানের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৯২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে হলিউড ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড এখন টম হল্যান্ড অভিনীত এই সিনেমাটির দখলে। তালিকার শীর্ষস্থানটি এখনও দখল করে আছে ২০১৯ সালের ব্লকব্লাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’, যার প্রারম্ভিক আয় ছিল প্রায় ১২২ কোটি ডলার।
মজার ব্যাপার হলো, মাত্র ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার নির্মাণ ব্যয়ের এই ছবিটি মাত্র তিন দিনেই তার লগ্নি তুলে নিয়ে বিপুল মুনাফার মুখ দেখেছে। উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এর আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি সমানভাবে সমাদৃত হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে চীন। দেশটির প্রেক্ষাগৃহগুলো থেকে উদ্বোধনী সপ্তাহেই এসেছে ১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সাজানো এই সিনেমায় পিটার পার্কারের চরিত্রে টম হল্যান্ডের অভিনয়কে অনেক সমালোচকই তার ক্যারিয়ারের সেরা কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মার্ভেল স্টুডিওসের সভাপতি কেভিন ফাইগি দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই সাফল্যকে ‘অসাধারণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করছে যে স্পাইডার-ম্যানের জনপ্রিয়তা এখনও আকাশচুম্বী। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খুব শীঘ্রই সিনেমাটি এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন