দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বিকট শব্দে ভেঙে পড়েছে প্লাস্টার। এতে মোট পাঁচজন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রাদার রফিকুল ইসলাম (৪৫), মেটসের ইন্টার্ন শিক্ষার্থী অনিক (২৪), পৌর এলাকার সুজপুর প্রফেসরপাড়ার মিজানুর রহমানের ছেলে ফেরদৌস (২০), মিরপুরের আব্বাস আলী (২৬) ও পাকাপানের নরেন চন্দ্র (৩৮)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জরুরি বিভাগে হঠাৎ প্লাস্টার ধসে পড়ে। এতে আহতদের মধ্যে ব্রাদার রফিকুল ইসলাম একটু বেশি আহত। তবে ফেরদৌসকে প্রাথমিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও অন্য দুইজন সামান্য আহত হওয়ায় তাদেরকে কোন চিকিৎসা দিতে লাগেনি।
এদিকে প্লাস্টার ধসের পর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে ছুটাছুটি শুরু করেন। এর পরপরই কিছু সময়ের জন্য জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পরে কক্ষে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত রাখা হয়। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aaa7a0a058c2" ) );
ঘটনার সময় চিকিৎসা নিতে আসা লক্ষ্মীপুর গ্রামের রহিমা বেগম বলেন, আমি চিকিৎসা নেওয়ার জন্য এসেছিলাম। রোগীর বেডে শোয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকট শব্দে ছাদের প্লাস্টার ভেঙে পড়ে। ভাগ্যক্রমে আমি আহত হয়নি। তবে কয়েকজনকে আহত হতে দেখেছি।
ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ছিলেন ডা. শামীমা আক্তার সুইটি। তিনি বলেন, ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে রোগী ও রোগীর লোকজনে কক্ষটি ভরপুর ছিল। এরই মধ্যে আকস্মিকভাবে বিকট শব্দে ছাদের প্লাস্টার ভেঙে পড়ে এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যে ব্রাদার রফিকুল ইসলাম একটু বেশি আহত হলেও তেমন গুরুতর নন। অন্যরাও গুরুতর আহত নন।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এজেএস মোস্তাহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বলেন, ভবনটি অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা জরুরি।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজু বলেন, ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে অনেক রোগী ও তাদের লোকজন ছিলেন। তবে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এটাই বড় কথা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রকৌশলী এসেছেন সরেজমিনে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন। তবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বিকট শব্দে ভেঙে পড়েছে প্লাস্টার। এতে মোট পাঁচজন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রাদার রফিকুল ইসলাম (৪৫), মেটসের ইন্টার্ন শিক্ষার্থী অনিক (২৪), পৌর এলাকার সুজপুর প্রফেসরপাড়ার মিজানুর রহমানের ছেলে ফেরদৌস (২০), মিরপুরের আব্বাস আলী (২৬) ও পাকাপানের নরেন চন্দ্র (৩৮)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জরুরি বিভাগে হঠাৎ প্লাস্টার ধসে পড়ে। এতে আহতদের মধ্যে ব্রাদার রফিকুল ইসলাম একটু বেশি আহত। তবে ফেরদৌসকে প্রাথমিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও অন্য দুইজন সামান্য আহত হওয়ায় তাদেরকে কোন চিকিৎসা দিতে লাগেনি।
এদিকে প্লাস্টার ধসের পর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে ছুটাছুটি শুরু করেন। এর পরপরই কিছু সময়ের জন্য জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পরে কক্ষে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত রাখা হয়। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aaa7a0a058c2" ) );
ঘটনার সময় চিকিৎসা নিতে আসা লক্ষ্মীপুর গ্রামের রহিমা বেগম বলেন, আমি চিকিৎসা নেওয়ার জন্য এসেছিলাম। রোগীর বেডে শোয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকট শব্দে ছাদের প্লাস্টার ভেঙে পড়ে। ভাগ্যক্রমে আমি আহত হয়নি। তবে কয়েকজনকে আহত হতে দেখেছি।
ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ছিলেন ডা. শামীমা আক্তার সুইটি। তিনি বলেন, ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে রোগী ও রোগীর লোকজনে কক্ষটি ভরপুর ছিল। এরই মধ্যে আকস্মিকভাবে বিকট শব্দে ছাদের প্লাস্টার ভেঙে পড়ে এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যে ব্রাদার রফিকুল ইসলাম একটু বেশি আহত হলেও তেমন গুরুতর নন। অন্যরাও গুরুতর আহত নন।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এজেএস মোস্তাহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বলেন, ভবনটি অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা জরুরি।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজু বলেন, ঘটনার সময় জরুরি বিভাগে অনেক রোগী ও তাদের লোকজন ছিলেন। তবে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এটাই বড় কথা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রকৌশলী এসেছেন সরেজমিনে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন। তবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন