জনপ্রিয় এই জনপ্রতিনিধির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো সোনারগাঁও জুড়ে, অগণিত মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন প্রয়াত মেয়র।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. সাদেকুর রহমান আর নেই। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে পুরো সোনারগাঁও এলাকায় শোকের এক স্তব্ধতা নেমে এসেছে। ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ ভিড় জমান তাঁর বাসভবনে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ব্যক্তিগত জীবনে সাদেকুর রহমান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনবান্ধব মানুষ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনে তিনি সোনারগাঁও পৌরসভার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা স্থানীয়দের মনে দীর্ঘকাল অমলিন থাকবে। পৌর এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণে তাঁর একক প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয়রা বলছেন, তিনি কেবল একজন মেয়রই ছিলেন না, বরং ছিলেন সাধারণ মানুষের পরম বন্ধু ও অভিভাবক। পৌরসভার সংকটে কিংবা মানুষের ব্যক্তিগত বিপদে সবসময়ই তিনি পরম মমতায় পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কোনো দলীয় বা মতাদর্শিক ভেদাভেদ না করেই এলাকার উন্নয়নে তিনি নিজের মেধা ও শ্রম ব্যয় করেছেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান সংস্কারে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে সোনারগাঁওবাসী।
সাদেকুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিশিষ্টজনরা জানিয়েছেন, তাঁর মতো একজন নিঃস্বার্থ কর্মীর প্রস্থান পৌরসভার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রাজনৈতিক নেতারা বলেন, মানুষ হিসেবে সাদেকুর রহমান ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক ও বিনয়ী। তৃণমূল মানুষের নাড়ির স্পন্দন তিনি খুব কাছ থেকে বুঝতে পারতেন। জনসেবার মাধ্যমে তিনি যেভাবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তা নতুন প্রজন্মের জনপ্রতিনিধিদের জন্য এক বড় শিক্ষা।
তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় স্থানীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন মরহুমের সকল ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সুউচ্চ মর্যাদা দান করেন। তাঁর এই প্রয়াণ শুধু পরিবারের নয়, বরং পুরো সোনারগাঁওয়ের জন্য এক বেদনার কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জনপ্রিয় এই জনপ্রতিনিধির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো সোনারগাঁও জুড়ে, অগণিত মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন প্রয়াত মেয়র।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. সাদেকুর রহমান আর নেই। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে পুরো সোনারগাঁও এলাকায় শোকের এক স্তব্ধতা নেমে এসেছে। ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ ভিড় জমান তাঁর বাসভবনে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ব্যক্তিগত জীবনে সাদেকুর রহমান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনবান্ধব মানুষ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনে তিনি সোনারগাঁও পৌরসভার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা স্থানীয়দের মনে দীর্ঘকাল অমলিন থাকবে। পৌর এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণে তাঁর একক প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয়রা বলছেন, তিনি কেবল একজন মেয়রই ছিলেন না, বরং ছিলেন সাধারণ মানুষের পরম বন্ধু ও অভিভাবক। পৌরসভার সংকটে কিংবা মানুষের ব্যক্তিগত বিপদে সবসময়ই তিনি পরম মমতায় পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কোনো দলীয় বা মতাদর্শিক ভেদাভেদ না করেই এলাকার উন্নয়নে তিনি নিজের মেধা ও শ্রম ব্যয় করেছেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান সংস্কারে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে সোনারগাঁওবাসী।
সাদেকুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিশিষ্টজনরা জানিয়েছেন, তাঁর মতো একজন নিঃস্বার্থ কর্মীর প্রস্থান পৌরসভার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রাজনৈতিক নেতারা বলেন, মানুষ হিসেবে সাদেকুর রহমান ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক ও বিনয়ী। তৃণমূল মানুষের নাড়ির স্পন্দন তিনি খুব কাছ থেকে বুঝতে পারতেন। জনসেবার মাধ্যমে তিনি যেভাবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তা নতুন প্রজন্মের জনপ্রতিনিধিদের জন্য এক বড় শিক্ষা।
তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় স্থানীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন মরহুমের সকল ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সুউচ্চ মর্যাদা দান করেন। তাঁর এই প্রয়াণ শুধু পরিবারের নয়, বরং পুরো সোনারগাঁওয়ের জন্য এক বেদনার কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন