ঈদুল আজহার পর ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন
আগামী ঈদুল আজহার পর দেশে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌরসভার ভোট গ্রহণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে উপজেলা, জেলা পরিষদ এবং সব শেষে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৭৫৫টি নির্বাচন উপযোগী হয়ে উঠেছে। এছাড়া ৩৩০টি পৌরসভাও ভোটের জন্য প্রস্তুত।স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে আইনে পরিণত হওয়ার পরপরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিলের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও চলতি বছরের মধ্যে দ্রুততম সময়ে নির্বাচন সম্পন্ন করার আভাস দিয়েছেন। বর্তমানে অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া থাকলেও নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। ঈদের পর কমিশন সভায় পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। তবে আইনি জটিলতা নিরসনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশ ও আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় সক্রিয় হবে এবং উন্নয়নমূলক কাজে গতি আসবে।