‘এই পুরস্কার শুধুই আফ্রিদির নয়, পুরো পাকিস্তানের’
পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ পেয়েছেন শহীদ আফ্রিদি। দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অলরাউন্ডারকে। তবে তিনি মনে করেন, এই পুরস্কারের অংশীদার পুরো পাকিস্তান।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি গতকাল আফ্রিদির গলায় হিলাল-ই-ইমতিয়াজের পদক পরিয়ে দেন। রাষ্ট্রপতির বাসভবন আইওয়ান-ই-সদরে আফ্রিদিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পদক গ্রহণের পর পরিবারের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন তিনি। পাকিস্তানের ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অলরাউন্ডার ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে হিলালের পদমর্যাদা পাওয়া আমার জন্য সম্মানের। এটা কেবল শহীদ আফ্রিদির জন্যই নয়, পুরো পাকিস্তানের জন্যই সম্মানের। আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন আমাকে এত দূর নিয়ে এসেছে।’
খেলোয়াড়ি জীবনে আফ্রিদি ছিলেন প্রতিপক্ষের কাছে আতঙ্ক। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগস্পিন ভেলকিতে পাকিস্তানকে অনেক হারা ম্যাচ জিতিয়েছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ২৭ টেস্ট, ৩৯৮ ওয়ানডে ও ৯৯ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ৫২৪ ম্যাচে ১১ সেঞ্চুরি ও ৪২ ফিফটিতে ১১১৯৬ রান করেছেন। লেগ স্পিন ঘূর্ণিতে নিয়েছেন ৫৪১ উইকেট। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লর্ডসে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ফাইনালসেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন তিনি।
আফ্রিদির আগে আব্দুল হাফিজ কারদার, ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিসের মতো তারকাদের হিলাল-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কার হয়েছিল। কারদার ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক। তাঁকে পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান স্থপতি বিবেচনা করা হয়। আর ইমরান খানের নেতৃত্বে ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান। ৩৪ বছর আগে মেলবোর্নে সেই চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের একাদশে ছিলেন ওয়াসিম আকরাম।