হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে: জেলা প্রশাসক
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরিস্থিতি ও সরকারি সহায়তা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে জেলার রাজনগর উপজেলার কাউয়াদিঘি হাওর পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোঃ আরিফ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দীন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে কিনা তা সরেজমিনে যাচাই করা হয়।
জেলা প্রশাসক হাওরপারের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি কৃষকদের কাছ থেকে পানি বৃদ্ধির কারণ, ফসল রক্ষায় সম্ভাব্য করণীয় এবং ভবিষ্যতে ক্ষতি কমানোর বিষয়ে মতামত শোনেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কিনা তা জানতে চান এবং কারও নাম তালিকায় না এলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক কাউয়াদিঘি হাওরের পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম সচল রাখতে পরিচালিত কাশেমপুর পাম্প হাউজ পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেন।
এছাড়া তিনি রাজনগর উপজেলা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত দুইজন মৎস্যজীবীর মাঝে মাছের খাবার বিতরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, হাওরাঞ্চলের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।