পরিবেশ কন্ঠ

বাদাম তেলের উপকারিতা

বহু যুগ ধরে বাদাম তেল শুধু সৌন্দর্যচর্চা নয়, স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্যও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাদাম তেলের উপর পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন ই, প্রোটিন, জিঙ্ক, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পটাশিয়াম এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। বাদাম তেল থেকে কী কী ধরনের উপকারিতা পাওয়া যাবে তা জানানো হয়েছে ‘হেলদি বিল্ডার্সের’ এক প্রতিবেদনে।  বাদাম তেল খুশকি দূর করতে পারে। মাথার ত্বকে অল্প পরিমাণে বাদাম তেল লাগিয়ে চুলের গোড়া পর্যন্ত মালিশ করুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে মাথার ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে।  বাদাম তেল মসৃণ এবং নিখুঁত ত্বক পেতে সাহায্য করতে পারে। বাদাম তেল ব্যবহারের আরেকটি সুবিধা হলো এটি মৃদু হাইপোঅ্যালার্জেনিক, যার অর্থ এটি আপনার শিশুর উপরেও ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে আলতো করে ঘষলে এর শোষণ ক্ষমতা বাড়ে, তাই গোসলের পর ব্যবহার করা ভালো। তেলটি হালকা গরম করে শোষণের হার বাড়াতে পারেন। এর সাথে অন্যান্য এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন কমে যায়, ফলে ত্বক শিথিল হয় ও ঝুলে পড়ে। মুখে বাদাম তেল লাগালে তা শুধু ত্বককে টানটান করতেই সাহায্য করে না, বরং চোখের নিচের কালো দাগ, সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখাও কমাতে পারে। তেলটি সারারাত লাগিয়ে রাখুন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন। বাদাম তেল ফাটা ঠোঁটকে আর্দ্র করতে পারে। বিশেষ করে যখন চামড়া ফেটে যায় তখন ফাটা ঠোঁট অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষ পেট্রোলিয়াম জেলি বা চ্যাপ স্টিক ব্যবহার করেন, কিন্তু বাদাম তেল সবসময়ই একটি ভালো বিকল্প। এটি ঠোঁটে আর্দ্রতা যোগ করে ভরাট ও নরম রাখে।  বাদাম তেল পেশির ব্যথা কমায় এবং ক্লান্তি দূর করতে পারে। আক্রান্ত স্থানে এই তেল দিয়ে মালিশ করলে প্রদাহ কমে যেতে পারে। দ্রুত শোষণের জন্য, ব্যবহারের আগে তেলটি হালকা গরম করে নিন।  

বাদাম তেলের উপকারিতা