হেসেখেলে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া
ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে রানে ছিলেন না ট্রাভিস হেড। ডারউইন ও ম্যাকাই টেস্টের তিন ইনিংসে করেছিলেন ২২, ১৭ ও ২২ রান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলতি তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ব্যর্থ ছিলেন; ৫ বলে করেছিলেন ৪ রান। রান-খরার এই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঠিকই জ্বলে উঠলেন হেড। তাঁর ব্যাটের আলোয় উদ্ভাসিত অস্ট্রেলিয়া হেসেখেলে ৮৪ রানে জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
হেডের সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। লক্ষ্য তাড়ায় এসে জিম্বাবুয়ে ৪৮.৩ ওভারে অলআউট হয়েছে ২৭২ রানে।
এই ম্যাচ দিয়ে ব্যাট হাতে নিজের চেনা আগ্রাসী রূপে ফিরেছেন ট্রাভিস হেড। শুরু থেকেই ছিলেন আক্রমণাত্মক। মিচেল মার্শকে নিয়ে হেড উদ্বোধনীতে ১৩০ রানের জুটি গড়লে বড় স্কোরের ভিত পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৬৩ বলে ৫৩ রান করে মার্শ আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। নিজের খেলাটা চালিয়ে যেতে থাকেন হেড। ১৩টি চার ও ৩টি ছয়ে ৭৫ বলে রানের তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তাঁর অষ্টম সেঞ্চুরি। তবে একটা জায়গায় এটি ‘প্রথম’ হয়ে গেছে। ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কোনো অস্ট্রেলীয় ব্যাটারের এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি। আগের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল ৮৬ বলে ম্যাট রেনশের।
শেষ পর্যন্ত ৮৪ বলে ১১২ রান করে আউট হয়ে যান হেড। ১৫টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংস। জিম্বাবুয়ের অফ স্পিনার ওয়েসলি মাধেভেরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে থামেন তিনি। হেডের বিদায়ের পরও রান তোলার গতি ধরে রাখেন কনোলি। ৬৯ বলে ৭৮ করেন এই তরুণ অলরাউন্ডার। সব মিলিয়ে বড় স্কোর পায় অস্ট্রেলিয়া।
লক্ষ্য তাড়ায় প্রয়োজনীয় রানরেটের সঙ্গে সংগতি রেখে ব্যাটিং করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। প্রথম ১০, ২০ ও ৩০ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল যেখানে ৭৮/০, ১৩৭/১ ও ২০০/২, সেখানে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৪১/০, ৮৭/২ ও ১৫১/৩। এরপর সময় যত গড়িয়েছে, আরও পিছিয়ে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিকদের ফিফটিশূন্য ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।