পরিবেশ কণ্ঠ

আইএলও’র গভর্নিং বডিতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অভিনন্দন, ৪৭ দেশের পূর্ণ সমর্থন

[TECHTARANGA-POST:164][TECHTARANGA-POST:145]আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা International Labour Organization (আইএলও)-এর ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশকে ঘিরে ইতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করেছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। মোট ৪৭টি দেশ বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছে।অধিবেশনে বক্তারা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা তৈরি হয়েছে। তারা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন।জানা যায়, পূর্ববর্তী সময়ে শ্রম অধিকার সংক্রান্ত কিছু কনভেনশন বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে আইএলও সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে তৎকালীন সরকার শ্রম খাত সংস্কারের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করে, যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছিল।সোমবার (৩০ মার্চ) অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। এতে শ্রম খাতে আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারে সরকারের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।অধিবেশনে ১৯টি দেশ, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপ (মোট ২৮টি দেশ) এবং মালিকপক্ষ শ্রমখাত উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে। একই সঙ্গে তারা চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান।বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রমবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন আলোচনায় অংশ নেন। এ সময় জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদার উপস্থিত ছিলেন।উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দেশের জনগণ বিপুল ভোটে সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে এবং সরকার মানবাধিকার, আইনের শাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-কে আইনে পরিণত করতে সংসদীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে গৃহীত সংশোধনীগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।অধিবেশনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রতিনিধিরা শ্রম আইন সংশোধন, পরিদর্শক নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তবে রোডম্যাপের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।পরি-কন্ঠ/মুয়াজ:আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শ্রমখাত নিয়ে ইতিবাচক এই অবস্থান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। তবে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুত সংস্কারগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করাই এখন সময়ের দাবি।

আইএলও’র গভর্নিং বডিতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অভিনন্দন, ৪৭ দেশের পূর্ণ সমর্থন