পরিবেশ কন্ঠ

বাবর-শফিকের হাত ধরে ৫৯ বছরের খরা কাটাল পাকিস্তান


প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বাবর-শফিকের হাত ধরে ৫৯ বছরের খরা কাটাল পাকিস্তান
সংগৃহীত

বিদেশের মাটিতে জয়ের স্বাদটা পাকিস্তান ভুলতেই বসেছিল। সেই ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সবশেষ ঘরের বাইরে ম্যাচ জিতেছিল দলটা, এরপর থেকে যখনই ঘরের বাইরে পা পড়েছে, তখনই হারতে হয়েছে দলটাকে। 

অবশেষে সে সময়টা পেছনে ফেলল বাবর আজমের দল। ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারায়। এতে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়।

প্রথম টেস্টে পাকিস্তান নব্বই রানে হেরেছিল। এই ম্যাচ হারলে তারা হোয়াইটওয়াশই হতো। তবে এমন সমীকরণের সামনে এবার তারা ঘুরে দাঁড়ায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র পঁচাত্তর রান।

মামুলি লক্ষ্যে নেমে শুরুতে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও আজান আওয়াইসকে হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ শফিক ও অধিনায়ক বাবর আজম দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। বাবর স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন।

এই জয় আব্দুল্লাহ শফিকের জন্য বিশেষ কিছু। তিনি মূল দলে ছিলেন না। চোটের কারণে শান মাসুদের বদলে গত সপ্তাহে দলে যোগ দেন। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসেই পাকিস্তান করে ৩৮৭ রান।

পাকিস্তানের এই জয়ের নায়ক অবশ্য অন্য একজন। সাজিদ খান দুই ইনিংসে উইকেট নিয়েছেন ৪টি করে। দ্বিতীয় ইনিংসে আলী উসমানকে সঙ্গে নিয়ে ধসিয়ে দিয়েছেন উইন্ডিজকে। গড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সিরিজ ড্র করার পথটা। 

এই জয়ের ফল পাকিস্তান এক দীর্ঘ খরা কাটাল। ত্রিনিদাদের এই মাঠে পাকিস্তান নিজেদের সবশেষ ম্যাচটা জিতেছিল সেই ১৯৭৭ সালে। এরপর এই মাঠে ২ ম্যাচ খেললেও জয় পায়নি আর। ৫৯ বছর পর ২০২৬ সালে এসে সেই খরা কাটাল বাবর আজমের দল।

বিষয় : পাকিস্তান ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


বাবর-শফিকের হাত ধরে ৫৯ বছরের খরা কাটাল পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিদেশের মাটিতে জয়ের স্বাদটা পাকিস্তান ভুলতেই বসেছিল। সেই ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সবশেষ ঘরের বাইরে ম্যাচ জিতেছিল দলটা, এরপর থেকে যখনই ঘরের বাইরে পা পড়েছে, তখনই হারতে হয়েছে দলটাকে। 

অবশেষে সে সময়টা পেছনে ফেলল বাবর আজমের দল। ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারায়। এতে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়।

প্রথম টেস্টে পাকিস্তান নব্বই রানে হেরেছিল। এই ম্যাচ হারলে তারা হোয়াইটওয়াশই হতো। তবে এমন সমীকরণের সামনে এবার তারা ঘুরে দাঁড়ায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র পঁচাত্তর রান।

মামুলি লক্ষ্যে নেমে শুরুতে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও আজান আওয়াইসকে হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ শফিক ও অধিনায়ক বাবর আজম দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। বাবর স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন।

এই জয় আব্দুল্লাহ শফিকের জন্য বিশেষ কিছু। তিনি মূল দলে ছিলেন না। চোটের কারণে শান মাসুদের বদলে গত সপ্তাহে দলে যোগ দেন। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসেই পাকিস্তান করে ৩৮৭ রান।

পাকিস্তানের এই জয়ের নায়ক অবশ্য অন্য একজন। সাজিদ খান দুই ইনিংসে উইকেট নিয়েছেন ৪টি করে। দ্বিতীয় ইনিংসে আলী উসমানকে সঙ্গে নিয়ে ধসিয়ে দিয়েছেন উইন্ডিজকে। গড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সিরিজ ড্র করার পথটা। 

এই জয়ের ফল পাকিস্তান এক দীর্ঘ খরা কাটাল। ত্রিনিদাদের এই মাঠে পাকিস্তান নিজেদের সবশেষ ম্যাচটা জিতেছিল সেই ১৯৭৭ সালে। এরপর এই মাঠে ২ ম্যাচ খেললেও জয় পায়নি আর। ৫৯ বছর পর ২০২৬ সালে এসে সেই খরা কাটাল বাবর আজমের দল।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ