চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির আশা করছে সরকার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পণ্যে বৈচিত্র্য আনার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসলেও এখন তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল পণ্য, চামড়া ও কৃষিপণ্য রপ্তানিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একক খাতনির্ভরতা কমাতে পারলে বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।
রপ্তানিকারকরা জানান, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং পূর্ব এশিয়ার বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে। নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও শুল্ক সুবিধা পেলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সহজ হবে। একই সঙ্গে রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্রুত কাস্টমস সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি আয় বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তবে উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি সংকট এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সমন্বিত নীতি প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী প্রান্তিকগুলোতে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকবে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
পরি-কন্ঠ/ মুয়াজ
Tag/Topic: রপ্তানি, অর্থনীতি, বাণিজ্য, তৈরি পোশাক, বৈদেশিক মুদ্রা

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির আশা করছে সরকার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পণ্যে বৈচিত্র্য আনার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসলেও এখন তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল পণ্য, চামড়া ও কৃষিপণ্য রপ্তানিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একক খাতনির্ভরতা কমাতে পারলে বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।
রপ্তানিকারকরা জানান, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং পূর্ব এশিয়ার বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে। নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও শুল্ক সুবিধা পেলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সহজ হবে। একই সঙ্গে রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্রুত কাস্টমস সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি আয় বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তবে উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি সংকট এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সমন্বিত নীতি প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী প্রান্তিকগুলোতে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকবে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
পরি-কন্ঠ/ মুয়াজ
Tag/Topic: রপ্তানি, অর্থনীতি, বাণিজ্য, তৈরি পোশাক, বৈদেশিক মুদ্রা

আপনার মতামত লিখুন