দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাম্প্রতিক নীতিগত বৈঠকে সুদহার সমন্বয়, বাজারে অতিরিক্ত তারল্য কমানো এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে। এ অবস্থায় সুদহার নীতিকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করে বাজারে অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুদহার বাড়ালে ঋণ গ্রহণ কিছুটা কমতে পারে, ফলে বাজারে চাহিদা নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে শিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা বা সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি, যাতে উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। একই সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেও সতর্ক নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর অবস্থান বাজারে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/ মুয়াজ
Tag/Topic: মূল্যস্ফীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সুদহার, অর্থনীতি, মুদ্রানীতি

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাম্প্রতিক নীতিগত বৈঠকে সুদহার সমন্বয়, বাজারে অতিরিক্ত তারল্য কমানো এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে। এ অবস্থায় সুদহার নীতিকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করে বাজারে অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুদহার বাড়ালে ঋণ গ্রহণ কিছুটা কমতে পারে, ফলে বাজারে চাহিদা নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে শিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা বা সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি, যাতে উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। একই সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেও সতর্ক নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর অবস্থান বাজারে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/ মুয়াজ
Tag/Topic: মূল্যস্ফীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সুদহার, অর্থনীতি, মুদ্রানীতি

আপনার মতামত লিখুন