নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি বি.বি. রোড-এ হকার উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। অভিযানের আগেই অনেকাংশে ফুটপাত হকারমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে পথচারীদের মাঝে।
এ প্রেক্ষাপটে গন সংহতি আন্দোলন এর স্থানীয় নেতা তারিকুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন যদি সত্যিই আন্তরিক হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলো যদি হকারদের আস্কারা না দেয় বা চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকে, তাহলে কোনোভাবেই ফুটপাতে হকার বসার সাহস পাবে না।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি অঘোষিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফুটপাত দখল হয়ে আসছিল, যেখানে রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রশাসনের সাময়িক অভিযানগুলো স্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তবে এবারের উদ্যোগকে ভিন্নভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ, আগাম সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানের কারণে হকাররা স্বেচ্ছায় স্থান ছেড়ে দিয়েছে, যা প্রশাসনিক সক্ষমতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সাধারণ পথচারীরাও এই পরিবর্তনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত নজরদারি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা বজায় থাকলে শহরের ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা সম্ভব।
এদিকে নগরবাসীর দাবি—শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, বরং ধারাবাহিক মনিটরিং, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই পরিবর্তন ধরে রাখতে হবে।
সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের আন্তরিকতা ও রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা আর কঠিন হবে না।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি বি.বি. রোড-এ হকার উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। অভিযানের আগেই অনেকাংশে ফুটপাত হকারমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে পথচারীদের মাঝে।
এ প্রেক্ষাপটে গন সংহতি আন্দোলন এর স্থানীয় নেতা তারিকুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন যদি সত্যিই আন্তরিক হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলো যদি হকারদের আস্কারা না দেয় বা চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকে, তাহলে কোনোভাবেই ফুটপাতে হকার বসার সাহস পাবে না।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি অঘোষিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফুটপাত দখল হয়ে আসছিল, যেখানে রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রশাসনের সাময়িক অভিযানগুলো স্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তবে এবারের উদ্যোগকে ভিন্নভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ, আগাম সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানের কারণে হকাররা স্বেচ্ছায় স্থান ছেড়ে দিয়েছে, যা প্রশাসনিক সক্ষমতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সাধারণ পথচারীরাও এই পরিবর্তনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত নজরদারি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা বজায় থাকলে শহরের ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা সম্ভব।
এদিকে নগরবাসীর দাবি—শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, বরং ধারাবাহিক মনিটরিং, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই পরিবর্তন ধরে রাখতে হবে।
সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের আন্তরিকতা ও রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা আর কঠিন হবে না।

আপনার মতামত লিখুন