প্রশাসনের ঘোষণার পরও নারায়ণগঞ্জ শহরের সিরাজউদ্দৌলা সড়কে হকারদের দৌরাত্ম্য থামেনি। সড়কের বড় অংশ দখল করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে কিছুক্ষণ পরপরই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, বাড়ছে নগরবাসীর দুর্ভোগ এবং নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান কর্মঘণ্টা।
তবে এরই মধ্যে বিবি রোড ও সলিমুল্লাহ সড়কের হকাররা দখল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা দোকান ও ছাউনি সরিয়ে নিয়েছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় কালিরবাজার এলাকার এই সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের বাড়ির সামনে থেকে ১৬ তলা ভবনের সামনের অংশ পর্যন্ত সড়কের প্রায় অর্ধেক দখল করে বসেছেন হকাররা। বছরের পর বছর ধরে তারা এখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদাবাজদের অর্থ দিয়ে এসব হকার বসেন। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবহন। সড়কে পার্কিং করে পণ্য নামানো, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা—সব মিলিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে চরম অব্যবস্থাপনা।
অন্যদিকে শায়েস্তা খাঁ সড়কে অধিকাংশ হকার তাদের মালামাল সরিয়ে নিলেও কিছু খাটিয়া এখনও সড়কের মাঝখানে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কেউ কেউ দোকান গুটিয়ে নিচ্ছেন।
শুধু বিবি রোড নয়, শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক—সিরাজুদ্দৌলা, শায়েস্তা খাঁ, মিরজুমলা, চেম্বার রোড ও সলিমুল্লাহ সড়ক দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
এদিকে নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান জানিয়েছেন, ঘোষণানুযায়ী আজ বিবি রোডে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সড়কও দখলমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রশাসনের ঘোষণার পরও নারায়ণগঞ্জ শহরের সিরাজউদ্দৌলা সড়কে হকারদের দৌরাত্ম্য থামেনি। সড়কের বড় অংশ দখল করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে কিছুক্ষণ পরপরই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, বাড়ছে নগরবাসীর দুর্ভোগ এবং নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান কর্মঘণ্টা।
তবে এরই মধ্যে বিবি রোড ও সলিমুল্লাহ সড়কের হকাররা দখল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা দোকান ও ছাউনি সরিয়ে নিয়েছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় কালিরবাজার এলাকার এই সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের বাড়ির সামনে থেকে ১৬ তলা ভবনের সামনের অংশ পর্যন্ত সড়কের প্রায় অর্ধেক দখল করে বসেছেন হকাররা। বছরের পর বছর ধরে তারা এখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদাবাজদের অর্থ দিয়ে এসব হকার বসেন। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবহন। সড়কে পার্কিং করে পণ্য নামানো, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা—সব মিলিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে চরম অব্যবস্থাপনা।
অন্যদিকে শায়েস্তা খাঁ সড়কে অধিকাংশ হকার তাদের মালামাল সরিয়ে নিলেও কিছু খাটিয়া এখনও সড়কের মাঝখানে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কেউ কেউ দোকান গুটিয়ে নিচ্ছেন।
শুধু বিবি রোড নয়, শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক—সিরাজুদ্দৌলা, শায়েস্তা খাঁ, মিরজুমলা, চেম্বার রোড ও সলিমুল্লাহ সড়ক দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
এদিকে নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান জানিয়েছেন, ঘোষণানুযায়ী আজ বিবি রোডে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সড়কও দখলমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন