পরিবেশ কণ্ঠ

বছরে ২৫০০ টাকা ও কৃষি উপকরণের বিশেষ সুবিধা নিয়ে আসছে সরকারি কৃষক কার্ড

কৃষক কার্ড: ২০ হাজার কৃষকের ভাগ্য বদলের নতুন উদ্যোগ



কৃষক কার্ড: ২০ হাজার কৃষকের ভাগ্য বদলের নতুন উদ্যোগ
সংগৃহীত

দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করতে যাচ্ছে সরকার। পহেলা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি। এই বিশেষ কার্ডের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক সরাসরি সরকারি আর্থিক সহায়তাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। কৃষকদের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্পের অধীনে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এই আশাব্যঞ্জক তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ০৬৫ জন কৃষকের নিখুঁত ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাছাইকৃত ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক পাবেন এই বিশেষ প্রণোদনা। মন্ত্রী জানান, এই ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি ডিলারের কাছ থেকে সার, উন্নতমানের বীজ এবং মৎস্য ও প্রাণি খাদ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে সরকার এই প্রকল্পের পেছনে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয় করছে। এই পর্যায়ের সফলতার পর দেশের আরও ১৫টি উপজেলায় পাইলটিং কার্যক্রম শুরু করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশের সকল কৃষককে এই ডিজিটাল ডাটাবেজ ও কার্ড ব্যবস্থার আওতায় আনার একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয়েছে।

আগামী পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মহতী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমেই দেশের কৃষি ইতিহাসে এক নতুন ও আধুনিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : কৃষক কার্ড

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬


কৃষক কার্ড: ২০ হাজার কৃষকের ভাগ্য বদলের নতুন উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করতে যাচ্ছে সরকার। পহেলা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি। এই বিশেষ কার্ডের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক সরাসরি সরকারি আর্থিক সহায়তাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। কৃষকদের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্পের অধীনে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এই আশাব্যঞ্জক তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ০৬৫ জন কৃষকের নিখুঁত ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাছাইকৃত ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক পাবেন এই বিশেষ প্রণোদনা। মন্ত্রী জানান, এই ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি ডিলারের কাছ থেকে সার, উন্নতমানের বীজ এবং মৎস্য ও প্রাণি খাদ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে সরকার এই প্রকল্পের পেছনে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয় করছে। এই পর্যায়ের সফলতার পর দেশের আরও ১৫টি উপজেলায় পাইলটিং কার্যক্রম শুরু করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশের সকল কৃষককে এই ডিজিটাল ডাটাবেজ ও কার্ড ব্যবস্থার আওতায় আনার একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয়েছে।

আগামী পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মহতী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমেই দেশের কৃষি ইতিহাসে এক নতুন ও আধুনিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ