রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ থেকে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় এবং দ্রুত জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটানোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তারা বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ জাতীয় সংসদের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে মত দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতারা আরও বলেন, ১৫ মার্চ সংসদে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা কেবল একটি “প্রতীকী উদ্যোগ”। এর মাধ্যমে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও তারা দাবি করেন।
এ অবস্থায় প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। সমাবেশ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার পরিস্থিতি অবনতি, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। যদিও এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ জন্য তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, সংসদে উচ্চকক্ষ চালু, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রস্তাব তুলে ধরেন। এদিকে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীদল সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে এবং জনগণকে অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সমঝোতা না হলে সামনের দিনগুলোতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ থেকে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় এবং দ্রুত জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটানোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তারা বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ জাতীয় সংসদের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে মত দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতারা আরও বলেন, ১৫ মার্চ সংসদে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা কেবল একটি “প্রতীকী উদ্যোগ”। এর মাধ্যমে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও তারা দাবি করেন।
এ অবস্থায় প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। সমাবেশ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার পরিস্থিতি অবনতি, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। যদিও এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ জন্য তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, সংসদে উচ্চকক্ষ চালু, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রস্তাব তুলে ধরেন। এদিকে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীদল সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে এবং জনগণকে অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সমঝোতা না হলে সামনের দিনগুলোতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন