নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির গত বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরগুলোতে এক বিশেষ পরিদর্শন কর্মসূচি পালন করেন। প্রশাসনের সেবা কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং দাপ্তরিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই ছিল এই সফরের মূল লক্ষ্য। গত ২১ মে, ২০২৬ তারিখে দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক সেবা কেন্দ্রগুলোর সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
সকাল থেকেই জেলা প্রশাসক রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে শুরু করে পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেল, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, পূর্বগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও ৩৩ নং পূর্বগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যান। এসব পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক স্পষ্ট বার্তা দেন যে, সরকারি সেবা পেতে জনগণকে যাতে কোনো প্রকার ভোগান্তির শিকার হতে না হয়। তিনি ফাইল নিষ্পত্তির গতি বাড়ানো এবং সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে সর্বদা সৌজন্যমূলক ও মানবিক আচরণ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, দপ্তরগুলোকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, প্রশাসনের মূল ভিত্তিই হলো জনগণের সন্তুষ্টি।
প্রশাসনিক পরিদর্শনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক রূপগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, যানজট নিরসন এবং কিশোর গ্যাং ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর ও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জনগণই রাষ্ট্রের মালিক, আর তাঁদের সেবা প্রদান করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেবার মানোন্নয়নে কোনো প্রকার অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আসন্ন ঈদে সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারে এবং ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে, সেজন্য সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন আমাদের অগ্রাধিকার।”
উক্ত কর্মসূচিতে রূপগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ধরনের নিয়মিত পরিদর্শন সরকারি দপ্তরগুলোতে কাজের গতি ত্বরান্বিত করবে এবং প্রশাসনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির গত বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরগুলোতে এক বিশেষ পরিদর্শন কর্মসূচি পালন করেন। প্রশাসনের সেবা কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং দাপ্তরিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই ছিল এই সফরের মূল লক্ষ্য। গত ২১ মে, ২০২৬ তারিখে দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক সেবা কেন্দ্রগুলোর সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
সকাল থেকেই জেলা প্রশাসক রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে শুরু করে পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেল, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, পূর্বগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও ৩৩ নং পূর্বগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যান। এসব পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক স্পষ্ট বার্তা দেন যে, সরকারি সেবা পেতে জনগণকে যাতে কোনো প্রকার ভোগান্তির শিকার হতে না হয়। তিনি ফাইল নিষ্পত্তির গতি বাড়ানো এবং সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে সর্বদা সৌজন্যমূলক ও মানবিক আচরণ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, দপ্তরগুলোকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, প্রশাসনের মূল ভিত্তিই হলো জনগণের সন্তুষ্টি।
প্রশাসনিক পরিদর্শনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক রূপগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, যানজট নিরসন এবং কিশোর গ্যাং ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর ও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জনগণই রাষ্ট্রের মালিক, আর তাঁদের সেবা প্রদান করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেবার মানোন্নয়নে কোনো প্রকার অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আসন্ন ঈদে সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারে এবং ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে, সেজন্য সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন আমাদের অগ্রাধিকার।”
উক্ত কর্মসূচিতে রূপগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ধরনের নিয়মিত পরিদর্শন সরকারি দপ্তরগুলোতে কাজের গতি ত্বরান্বিত করবে এবং প্রশাসনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন