পরিবেশ কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জ জ্বীনের মসজিদ সংরক্ষণে উদ্যোগ জেলা প্রশাসকের



নারায়ণগঞ্জ জ্বীনের মসজিদ সংরক্ষণে উদ্যোগ জেলা প্রশাসকের
সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ শহরের মন্ডলপাড়া এলাকায় অবস্থিত প্রাচীন এক গম্বুজ বিশিষ্ট জ্বীনের মসজিদ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) রায়হান কবির।


রোববার (৫ এপ্রিল) আলোচিত এই মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব যাচাই এবং সংরক্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে তিনি সেখানে যান।

এসময় মসজিদটি পরিদর্শন শেষে ডিসি জানান, মসজিদটির দেয়াল বেশ পুরু এবং প্রবেশদ্বারে খোদাই করা স্থাপনের সাল “১৪৮২” উল্লেখ রয়েছে। এটি সুলতানি আমলের স্থাপনা হতে পারে, যা শাহ শুজা বা তৎকালীন অন্য কোনো শাসকের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা যদি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, তাহলে আমরা ইতিহাসবিদ ও সংস্কৃতি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে এর প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করব।


তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই মসজিদটির নাম প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর-এর তালিকায় নেই। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণিত হলে এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় জনশ্রুতিতে শোনা যায় মসজিদটিতে একসময় জিনেরা নামাজ আদায় করত। এখনও করে এমন কথাও প্রচলিত রয়েছে। যদিও এসবের কোনো প্রমাণ নেই, তবুও বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।


ডিসি আরও বলেন, আমরা চাই এ ধরনের স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করে জেলার পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করতে। এতে যেমন ঐতিহ্য রক্ষা হবে, তেমনি জেলার ইতিহাসও সমৃদ্ধ হবে। জেলার অন্যান্য পুরোনো স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করা হচ্ছে।


এর অংশ হিসেবে তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের মাজার এলাকাও পরিদর্শনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


নারায়ণগঞ্জ জ্বীনের মসজিদ সংরক্ষণে উদ্যোগ জেলা প্রশাসকের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জ শহরের মন্ডলপাড়া এলাকায় অবস্থিত প্রাচীন এক গম্বুজ বিশিষ্ট জ্বীনের মসজিদ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) রায়হান কবির।


রোববার (৫ এপ্রিল) আলোচিত এই মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব যাচাই এবং সংরক্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে তিনি সেখানে যান।

এসময় মসজিদটি পরিদর্শন শেষে ডিসি জানান, মসজিদটির দেয়াল বেশ পুরু এবং প্রবেশদ্বারে খোদাই করা স্থাপনের সাল “১৪৮২” উল্লেখ রয়েছে। এটি সুলতানি আমলের স্থাপনা হতে পারে, যা শাহ শুজা বা তৎকালীন অন্য কোনো শাসকের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা যদি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, তাহলে আমরা ইতিহাসবিদ ও সংস্কৃতি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে এর প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করব।


তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই মসজিদটির নাম প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর-এর তালিকায় নেই। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণিত হলে এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় জনশ্রুতিতে শোনা যায় মসজিদটিতে একসময় জিনেরা নামাজ আদায় করত। এখনও করে এমন কথাও প্রচলিত রয়েছে। যদিও এসবের কোনো প্রমাণ নেই, তবুও বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।


ডিসি আরও বলেন, আমরা চাই এ ধরনের স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করে জেলার পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করতে। এতে যেমন ঐতিহ্য রক্ষা হবে, তেমনি জেলার ইতিহাসও সমৃদ্ধ হবে। জেলার অন্যান্য পুরোনো স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করা হচ্ছে।


এর অংশ হিসেবে তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের মাজার এলাকাও পরিদর্শনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ