ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। সোমবার বড় পতনের পর মঙ্গলবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ফের প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার বাজারে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাইমেক্স লাইট সুইট অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ৫৫ ডলারে।
এর আগে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনালট্রেম্প ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তিনি তেহরানের সঙ্গে আলোচনাকে “খুবই ইতিবাচক” বলে উল্লেখ করলে বাজারে স্বস্তির আভাস দেখা দেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় সেদিন তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমে যায়।
তবে পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে যখন তেহরান দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। এই বক্তব্য বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, যা দামের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ও ভোক্তা পর্যায়েও।
সূত্র: বিবিসি
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
Tag/Topic: তেলের দাম, ব্রেন্ট ক্রুড, জ্বালানি বাজার, ইরান ইস্যু, বিশ্ব অর্থনীতি

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। সোমবার বড় পতনের পর মঙ্গলবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ফের প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার বাজারে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাইমেক্স লাইট সুইট অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ৫৫ ডলারে।
এর আগে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনালট্রেম্প ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তিনি তেহরানের সঙ্গে আলোচনাকে “খুবই ইতিবাচক” বলে উল্লেখ করলে বাজারে স্বস্তির আভাস দেখা দেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় সেদিন তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমে যায়।
তবে পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে যখন তেহরান দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। এই বক্তব্য বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, যা দামের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ও ভোক্তা পর্যায়েও।
সূত্র: বিবিসি
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
Tag/Topic: তেলের দাম, ব্রেন্ট ক্রুড, জ্বালানি বাজার, ইরান ইস্যু, বিশ্ব অর্থনীতি

আপনার মতামত লিখুন