দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামান্য সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলা ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যাতেও অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে কার্যকর। ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কোনো উপকার করে না। কিন্তু অজ্ঞতা ও দ্রুত সুস্থ হওয়ার আশায় অনেকেই ফার্মেসি থেকে সরাসরি অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেয়ে থাকেন। এতে সাময়িক উপশম মিললেও দীর্ঘমেয়াদে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়, যা ‘অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা’ তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হলে ভবিষ্যতে গুরুতর সংক্রমণের সময় প্রচলিত ওষুধ আর কাজ নাও করতে পারে। এতে চিকিৎসা জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ে। বিশ্বব্যাপী এটি জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, চিকিৎসকের সঠিক প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে না এবং নির্ধারিত ডোজ ও মেয়াদ পূর্ণ করতে হবে। মাঝপথে ওষুধ বন্ধ করলে প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বেড়ে যায়।
সচেতনতা বৃদ্ধি, ওষুধ বিক্রিতে কঠোর নজরদারি এবং জনগণের দায়িত্বশীল আচরণই পারে এই বিপজ্জনক প্রবণতা রোধ করতে। এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বড় স্বাস্থ্য সংকটে পড়তে পারে।
Tag/Topic: অ্যান্টিবায়োটিক, ওষুধ সচেতনতা, জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকি
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামান্য সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলা ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যাতেও অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে কার্যকর। ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কোনো উপকার করে না। কিন্তু অজ্ঞতা ও দ্রুত সুস্থ হওয়ার আশায় অনেকেই ফার্মেসি থেকে সরাসরি অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেয়ে থাকেন। এতে সাময়িক উপশম মিললেও দীর্ঘমেয়াদে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়, যা ‘অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা’ তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হলে ভবিষ্যতে গুরুতর সংক্রমণের সময় প্রচলিত ওষুধ আর কাজ নাও করতে পারে। এতে চিকিৎসা জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ে। বিশ্বব্যাপী এটি জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, চিকিৎসকের সঠিক প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে না এবং নির্ধারিত ডোজ ও মেয়াদ পূর্ণ করতে হবে। মাঝপথে ওষুধ বন্ধ করলে প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বেড়ে যায়।
সচেতনতা বৃদ্ধি, ওষুধ বিক্রিতে কঠোর নজরদারি এবং জনগণের দায়িত্বশীল আচরণই পারে এই বিপজ্জনক প্রবণতা রোধ করতে। এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বড় স্বাস্থ্য সংকটে পড়তে পারে।
Tag/Topic: অ্যান্টিবায়োটিক, ওষুধ সচেতনতা, জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকি
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন