দেশের তরুণ সমাজ ক্রমেই মানসিক চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। পড়াশোনা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং কর্মক্ষেত্রের বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে উদ্বেগ ও বিষণ্নতার প্রবণতা বাড়ছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং একাকিত্বও মানসিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ থেকে ঘুমের সমস্যা, মনোযোগের ঘাটতি, খিটখিটে মেজাজ, আত্মবিশ্বাস হ্রাস এবং হতাশা তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে তা মারাত্মক রূপ নিয়ে আত্মক্ষতির চিন্তাও জন্ম দিতে পারে। তাই বিষয়টিকে অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় বিশ্রাম নেওয়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক। পাশাপাশি মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযম আনা প্রয়োজন।
যদি কেউ দীর্ঘদিন ধরে হতাশা, উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতায় ভোগেন, তাহলে দেরি না করে কাউন্সেলিং বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো সঠিক সহায়তা পেলে অধিকাংশ মানসিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা বাড়াতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহানুভূতিশীল আচরণই পারে তরুণ সমাজকে মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করতে।
Tag/Topic: মানসিক স্বাস্থ্য, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, তরুণ সমাজ
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
দেশের তরুণ সমাজ ক্রমেই মানসিক চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। পড়াশোনা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং কর্মক্ষেত্রের বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে উদ্বেগ ও বিষণ্নতার প্রবণতা বাড়ছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং একাকিত্বও মানসিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ থেকে ঘুমের সমস্যা, মনোযোগের ঘাটতি, খিটখিটে মেজাজ, আত্মবিশ্বাস হ্রাস এবং হতাশা তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে তা মারাত্মক রূপ নিয়ে আত্মক্ষতির চিন্তাও জন্ম দিতে পারে। তাই বিষয়টিকে অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় বিশ্রাম নেওয়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক। পাশাপাশি মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযম আনা প্রয়োজন।
যদি কেউ দীর্ঘদিন ধরে হতাশা, উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতায় ভোগেন, তাহলে দেরি না করে কাউন্সেলিং বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো সঠিক সহায়তা পেলে অধিকাংশ মানসিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা বাড়াতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহানুভূতিশীল আচরণই পারে তরুণ সমাজকে মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করতে।
Tag/Topic: মানসিক স্বাস্থ্য, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, তরুণ সমাজ
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন