দেশে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডায়াবেটিসের হার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ফাস্টফুড ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবারের বেশি গ্রহণ এবং অনিয়মিত ঘুম এই বৃদ্ধি ঘটানোর প্রধান কারণ। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, অফিসজীবী এবং তরুণ শ্রমজীবী মধ্যেই টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, ডায়াবেটিসকে অবহেলা করলে কিডনি ক্ষয়, চোখের সমস্যা, হৃদরোগ এবং স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রাথমিক সতর্কতা নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত রক্তে শর্করার পরীক্ষা, সুষম ও হালকা খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমের ওপর জোর দিয়েছেন।
তরুণদের জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। ভাত, রুটি ও মিষ্টি জাতীয় খাবারের পরিবর্তে সবজি, ফল, ডাল ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করাকে গুরুত্ব দিতে হবে। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম, যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো বা যোগব্যায়াম, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কার্যকর।
ডায়াবেটিসের উপসর্গ যেমন অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অবসন্নতা বা ওজন কমে যাওয়া দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তরুণরা সচেতন না হলে রোগটি দ্রুত জটিল রূপ নিতে পারে।
ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি কমাতে পরিবার, সমাজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সবাইকে একযোগে সচেতন হতে হবে। সঠিক জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই ডায়াবেটিসের নীরব ঘাতক থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে পারে।
Tag/Topic: ডায়াবেটিস, তরুণ স্বাস্থ্য, জীবনযাপন, স্বাস্থ্য সচেতনতা
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
দেশে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডায়াবেটিসের হার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ফাস্টফুড ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবারের বেশি গ্রহণ এবং অনিয়মিত ঘুম এই বৃদ্ধি ঘটানোর প্রধান কারণ। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, অফিসজীবী এবং তরুণ শ্রমজীবী মধ্যেই টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, ডায়াবেটিসকে অবহেলা করলে কিডনি ক্ষয়, চোখের সমস্যা, হৃদরোগ এবং স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রাথমিক সতর্কতা নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত রক্তে শর্করার পরীক্ষা, সুষম ও হালকা খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমের ওপর জোর দিয়েছেন।
তরুণদের জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। ভাত, রুটি ও মিষ্টি জাতীয় খাবারের পরিবর্তে সবজি, ফল, ডাল ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করাকে গুরুত্ব দিতে হবে। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম, যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো বা যোগব্যায়াম, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কার্যকর।
ডায়াবেটিসের উপসর্গ যেমন অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অবসন্নতা বা ওজন কমে যাওয়া দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তরুণরা সচেতন না হলে রোগটি দ্রুত জটিল রূপ নিতে পারে।
ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি কমাতে পরিবার, সমাজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সবাইকে একযোগে সচেতন হতে হবে। সঠিক জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই ডায়াবেটিসের নীরব ঘাতক থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে পারে।
Tag/Topic: ডায়াবেটিস, তরুণ স্বাস্থ্য, জীবনযাপন, স্বাস্থ্য সচেতনতা
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন