বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ শাখা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. নাজমুল আলম। গত ৩০ আগস্ট রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে তিনি ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যুগ্মসচিব পদে কর্মরত ছিলেন। নাজমুল আলমের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে দেশের প্রশাসনিক মহলে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তাকে দুদকের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে তার চাকরি বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালনের পর তাকে এই সংবেদনশীল ও শক্তিশালী সংস্থায় পদায়ন করা হলো। অন্যদিকে, দুদকের বিদায়ী মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মোকাম্মেল হককে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। প্রশাসনের এই ব্যাপক রদবদল নিয়মিত দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দাবি করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। শুধু দুর্নীতি দমন কমিশনই নয়, এর পাশাপাশি একাধিক মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদকে বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুন নাহারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে গতিশীল করতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নতুন নেতৃত্ব। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর লিগ্যাল ও ইনফোর্সমেন্ট, চলতি দায়িত্ব) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীকে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা মুহাম্মদ ইউছুফকে পদোন্নতি দিয়ে একই প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মহাপরিচালক করা হয়েছে। এসব নিয়োগের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের প্রশাসনিক কাজে আরও গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই পরিবর্তনগুলো বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সঠিক স্থানে নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনসেবা নিশ্চিত করাই এই রদবদলের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ শাখা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. নাজমুল আলম। গত ৩০ আগস্ট রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে তিনি ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যুগ্মসচিব পদে কর্মরত ছিলেন। নাজমুল আলমের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে দেশের প্রশাসনিক মহলে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তাকে দুদকের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে তার চাকরি বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালনের পর তাকে এই সংবেদনশীল ও শক্তিশালী সংস্থায় পদায়ন করা হলো। অন্যদিকে, দুদকের বিদায়ী মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মোকাম্মেল হককে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। প্রশাসনের এই ব্যাপক রদবদল নিয়মিত দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দাবি করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। শুধু দুর্নীতি দমন কমিশনই নয়, এর পাশাপাশি একাধিক মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদকে বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুন নাহারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে গতিশীল করতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নতুন নেতৃত্ব। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর লিগ্যাল ও ইনফোর্সমেন্ট, চলতি দায়িত্ব) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীকে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা মুহাম্মদ ইউছুফকে পদোন্নতি দিয়ে একই প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মহাপরিচালক করা হয়েছে। এসব নিয়োগের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের প্রশাসনিক কাজে আরও গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই পরিবর্তনগুলো বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সঠিক স্থানে নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনসেবা নিশ্চিত করাই এই রদবদলের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন