পরিবেশ কন্ঠ

রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোসহ বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিএমইউর ২৬৯ ফ্যাকাল্টিকে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান



রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোসহ বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিএমইউর ২৬৯ ফ্যাকাল্টিকে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান
আইকিউএসি এর উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএমইউর বিভিন্ন বিভাগের ২৬৯ জন সম্মানিত ফ্যাকাল্টি, সিনিয়র চিকিৎসককে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন (ইভিএম) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা, চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মানবৃদ্ধিতে বিরাট অবদান রাখতে পারে। সেই লক্ষ্য পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে ১০টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ১০তম ব্যাচের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী দিন সোমবার ২২ জুলাই ২০২৬ইং তারিখে শহীদ ডা. মিল্টন হলে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সম্মানিত শিক্ষকদের মঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসসি এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম এবং সঞ্চালনা করেন আইকিউএসসি এর অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দীনে মুজাহিদ মোঃ ফারুক ওসমানী। তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিজ্ঞজনেরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ-নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পিকো ফ্রেমওয়ার্ক, দি ইমপরটেন্স অফ মেডিক্যাল অডিট, ক্লিনিক্যাল অডিট সাইকেল ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়। কর্মশালার সমাপনী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, ক্লিনিক্যাল প্রাকটিসে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ রোগীর চিন্তা, আগ্রহসহ রোগীর অধিকারের বিষয়ে চিকিৎসককে সর্বাদা খেয়াল রাখতে হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে চিকিৎসকদের প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান আহরণ করাসহ এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভের মাধ্যমে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নাই। মেডিক্যাল শিক্ষার গণগত মান উন্নয়নে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা বিরাট অবদান রাখছে। তাই প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার বিষয়ে মেডিক্যাল পেশার সাথে জড়িত শিক্ষক, চিকিৎসকদের জ্ঞান অর্জন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞ বক্তারা উল্লেখ করেন, গবেষণা, চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি স্তরে যদি প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কার্যকর করা যায়, তবে একটি ন্যায্য ও দক্ষ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা রোগী তথা জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। একই সাথে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার চর্চাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে রোগীদের অধিকার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যসেবাখাতে গুণগত পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। উল্লেখ্য, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসার চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-তে প্রথমবারেরমতো ‘ওয়ার্ল্ড ইভিডেন্স-বেইসড হেলথকেয়ার ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। এছাড়া বিএমইউ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ‘এভিডেন্স অ্যাম্বাসেডর’ খেতাবও অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানটি সম্পাদনা করেন ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোসহ বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিএমইউর ২৬৯ ফ্যাকাল্টিকে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএমইউর বিভিন্ন বিভাগের ২৬৯ জন সম্মানিত ফ্যাকাল্টি, সিনিয়র চিকিৎসককে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন (ইভিএম) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা, চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মানবৃদ্ধিতে বিরাট অবদান রাখতে পারে। সেই লক্ষ্য পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে ১০টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ১০তম ব্যাচের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী দিন সোমবার ২২ জুলাই ২০২৬ইং তারিখে শহীদ ডা. মিল্টন হলে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সম্মানিত শিক্ষকদের মঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসসি এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম এবং সঞ্চালনা করেন আইকিউএসসি এর অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দীনে মুজাহিদ মোঃ ফারুক ওসমানী। তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিজ্ঞজনেরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ-নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পিকো ফ্রেমওয়ার্ক, দি ইমপরটেন্স অফ মেডিক্যাল অডিট, ক্লিনিক্যাল অডিট সাইকেল ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়। কর্মশালার সমাপনী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, ক্লিনিক্যাল প্রাকটিসে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ রোগীর চিন্তা, আগ্রহসহ রোগীর অধিকারের বিষয়ে চিকিৎসককে সর্বাদা খেয়াল রাখতে হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে চিকিৎসকদের প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান আহরণ করাসহ এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভের মাধ্যমে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নাই। মেডিক্যাল শিক্ষার গণগত মান উন্নয়নে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা বিরাট অবদান রাখছে। তাই প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার বিষয়ে মেডিক্যাল পেশার সাথে জড়িত শিক্ষক, চিকিৎসকদের জ্ঞান অর্জন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞ বক্তারা উল্লেখ করেন, গবেষণা, চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি স্তরে যদি প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কার্যকর করা যায়, তবে একটি ন্যায্য ও দক্ষ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা রোগী তথা জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। একই সাথে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিদ্যার চর্চাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে রোগীদের অধিকার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যসেবাখাতে গুণগত পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। উল্লেখ্য, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসার চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-তে প্রথমবারেরমতো ‘ওয়ার্ল্ড ইভিডেন্স-বেইসড হেলথকেয়ার ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। এছাড়া বিএমইউ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ‘এভিডেন্স অ্যাম্বাসেডর’ খেতাবও অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানটি সম্পাদনা করেন ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ