গাজীপুরের শ্রীপুরে নিলুফা বেগম (৬২) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি বরই গাছের ডালে গলায় ওড়না প্যাঁচানো এবং হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের বিন্দুবাড়ি গ্রামের জিওসি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা-পুলিশ।
নিহত নিলুফা বেগম বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল আওয়ালের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন। রাতে খাবার খেয়ে তাঁরা বসতবাড়ির আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে তাঁর বাবা ফজরের নামাজ পড়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
সাইফুল বলেন, সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি বরই গাছের ডালে তাঁর মায়ের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ওড়নার এক প্রান্ত তাঁর মায়ের গলায় প্যাঁচানো এবং অপর প্রান্ত গাছের ডালের সঙ্গে বাঁধা। তাঁর মায়ের মরদেহ হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় ছিল।
সাইফুলের ভাষ্য, এভাবে ফাঁসিতে মানুষের মৃত্যু হতে পারে না বলে তাঁর সন্দেহ হচ্ছে। তবে কীভাবে বা কী কারণে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূরু কাশেম বলেন, বরই গাছের ডালের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিষয় : ঢাকা বিভাগ পুলিশ গাজীপুর শ্রীপুর (গাজীপুর) গাছ মরদেহ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে নিলুফা বেগম (৬২) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি বরই গাছের ডালে গলায় ওড়না প্যাঁচানো এবং হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের বিন্দুবাড়ি গ্রামের জিওসি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা-পুলিশ।
নিহত নিলুফা বেগম বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল আওয়ালের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন। রাতে খাবার খেয়ে তাঁরা বসতবাড়ির আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে তাঁর বাবা ফজরের নামাজ পড়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
সাইফুল বলেন, সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি বরই গাছের ডালে তাঁর মায়ের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ওড়নার এক প্রান্ত তাঁর মায়ের গলায় প্যাঁচানো এবং অপর প্রান্ত গাছের ডালের সঙ্গে বাঁধা। তাঁর মায়ের মরদেহ হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় ছিল।
সাইফুলের ভাষ্য, এভাবে ফাঁসিতে মানুষের মৃত্যু হতে পারে না বলে তাঁর সন্দেহ হচ্ছে। তবে কীভাবে বা কী কারণে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূরু কাশেম বলেন, বরই গাছের ডালের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন