দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চলতি মে মাসের বেতন এবং পবিত্র ঈদ-উল-আজহা-২০২৬-এর উৎসব ভাতার বিল দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।
আগামী ১৩ মে’র মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ইএমআইএস সিস্টেমের মাধ্যমে এই বিল সাবমিট করতে হবে।
সোমবার মাউশির এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এবং উৎসব ভাতার অর্থ সরাসরি ইএফটি’র মাধ্যমে স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নির্দিষ্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এমআইএস সিস্টেমের ‘এমপিও ইএফটি’ মডিউলে লগ-ইন করে প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে বিল দাখিল করবেন।
অধিদফতর জানিয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য সাবমিটের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারী অতিরিক্ত অর্থ প্রাপ্ত হলে বা অর্থ প্রেরিত না হলে তার পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে। কোনো শিক্ষক অতিরিক্ত অর্থ পেলে তা নির্দিষ্ট ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন, পদত্যাগ করেন বা সাময়িক বরখাস্ত থাকেন, তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিল সাবমিট করার সময় বিধিমোতাবেক আংশিক পেমেন্ট বা বেতন কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে।
শুধু ‘আইবাস’ পদ্ধতিতে তথ্য যাচাই করা বা ভ্যালিড জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত হয়েছে। যাদের তথ্যে এখনো ভুল আছে, তা সংশোধনের পর পরবর্তী ধাপে বিল সাবমিটের সুযোগ দেওয়া হবে। সূত্র : বাসস

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চলতি মে মাসের বেতন এবং পবিত্র ঈদ-উল-আজহা-২০২৬-এর উৎসব ভাতার বিল দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।
আগামী ১৩ মে’র মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ইএমআইএস সিস্টেমের মাধ্যমে এই বিল সাবমিট করতে হবে।
সোমবার মাউশির এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এবং উৎসব ভাতার অর্থ সরাসরি ইএফটি’র মাধ্যমে স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নির্দিষ্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এমআইএস সিস্টেমের ‘এমপিও ইএফটি’ মডিউলে লগ-ইন করে প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে বিল দাখিল করবেন।
অধিদফতর জানিয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য সাবমিটের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারী অতিরিক্ত অর্থ প্রাপ্ত হলে বা অর্থ প্রেরিত না হলে তার পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে। কোনো শিক্ষক অতিরিক্ত অর্থ পেলে তা নির্দিষ্ট ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন, পদত্যাগ করেন বা সাময়িক বরখাস্ত থাকেন, তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিল সাবমিট করার সময় বিধিমোতাবেক আংশিক পেমেন্ট বা বেতন কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে।
শুধু ‘আইবাস’ পদ্ধতিতে তথ্য যাচাই করা বা ভ্যালিড জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত হয়েছে। যাদের তথ্যে এখনো ভুল আছে, তা সংশোধনের পর পরবর্তী ধাপে বিল সাবমিটের সুযোগ দেওয়া হবে। সূত্র : বাসস

আপনার মতামত লিখুন